চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।চাহিদার তুলনায় প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।জানা গেছে, কচুয়া উপজেলায় প্রায় এক লাখ ২২ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। কিন্তু তিনটি উপকেন্দ্রেই সরবরাহ ঘাটতি রয়েছে।কচুয়া সদর উপকেন্দ্রে ১৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ৭ দশমিক ৮ মেগাওয়াট। রহিমানগরে ১১ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মিলছে ৪ মেগাওয়াট এবং পালাখালে ১০ মেগাওয়াটের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।তীব্র গরমের মধ্যে এই ঘনঘন লোডশেডিংয়ে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
আরো পড়ুন ,মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীসহ দুইজন খুন
বিশেষ করে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অনেককে রাতের বেলায় মোমবাতির আলোয় পড়তে হচ্ছে।এদিকে বিদ্যুৎ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে অফিস-আদালতের কার্যক্রম, কমে গেছে কল-কারখানার উৎপাদন।কৃষকরাও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন, কারণ মৌসুমের শেষ সময়ে সেচ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে।কচুয়া জোনাল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত এজিএম লুৎফুর রহমান জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে।তিনি বলেন, এই সংকট কাটিয়ে উঠতে না পারা পর্যন্ত চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব নয়।এ অবস্থায় দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বিষয় : জনজীবন বিদ্যুৎ সংকট লোডশেডিং

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।চাহিদার তুলনায় প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।জানা গেছে, কচুয়া উপজেলায় প্রায় এক লাখ ২২ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। কিন্তু তিনটি উপকেন্দ্রেই সরবরাহ ঘাটতি রয়েছে।কচুয়া সদর উপকেন্দ্রে ১৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ৭ দশমিক ৮ মেগাওয়াট। রহিমানগরে ১১ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মিলছে ৪ মেগাওয়াট এবং পালাখালে ১০ মেগাওয়াটের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।তীব্র গরমের মধ্যে এই ঘনঘন লোডশেডিংয়ে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
আরো পড়ুন ,মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীসহ দুইজন খুন
বিশেষ করে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অনেককে রাতের বেলায় মোমবাতির আলোয় পড়তে হচ্ছে।এদিকে বিদ্যুৎ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে অফিস-আদালতের কার্যক্রম, কমে গেছে কল-কারখানার উৎপাদন।কৃষকরাও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন, কারণ মৌসুমের শেষ সময়ে সেচ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে।কচুয়া জোনাল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত এজিএম লুৎফুর রহমান জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে।তিনি বলেন, এই সংকট কাটিয়ে উঠতে না পারা পর্যন্ত চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব নয়।এ অবস্থায় দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন