জ্বালানি সংকটে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন, আর তাতেই বাড়ছে লোডশেডিং। রাজধানীতে পরিস্থিতি এখনো সহনীয় থাকলেও গ্রামাঞ্চলে দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না।হঠাৎ ও অনিয়মিত লোডশেডিংয়ে তীব্র গরমের মধ্যে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থরা। দিনে তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি আমদানিতে জটিলতা, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া বিল—এই তিন সংকট পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ফলে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না।
আরো পড়ুন , সোশ্যাল মিডিয়ায় লাগামহীন কটূক্তি, নিরাপত্তাহীন সজ্জন সমাজ
তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা দেখাচ্ছেন। তাঁদের মতে, কয়লা সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো আবার চালু হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু কেন্দ্র থেকে অতিরিক্ত প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।তথ্য অনুযায়ী, গতকাল দুপুরে ১৪ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১২ হাজার ৩২৪ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ঘাটতি ছিল দুই হাজার মেগাওয়াটের বেশি। বিকেলে উৎপাদন বাড়লেও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি।বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, আগামী মাসে চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়ালে সংকট আরও বাড়তে পারে। পর্যাপ্ত জ্বালানি নিশ্চিত না হলে লোডশেডিং ব্যাপক আকার ধারণ করবে।বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সংকট শুধু একটি প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়—এটি এখন অর্থনীতি, কৃষি ও মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি সংকটে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন, আর তাতেই বাড়ছে লোডশেডিং। রাজধানীতে পরিস্থিতি এখনো সহনীয় থাকলেও গ্রামাঞ্চলে দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না।হঠাৎ ও অনিয়মিত লোডশেডিংয়ে তীব্র গরমের মধ্যে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থরা। দিনে তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি আমদানিতে জটিলতা, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া বিল—এই তিন সংকট পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ফলে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না।
আরো পড়ুন , সোশ্যাল মিডিয়ায় লাগামহীন কটূক্তি, নিরাপত্তাহীন সজ্জন সমাজ
তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা দেখাচ্ছেন। তাঁদের মতে, কয়লা সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো আবার চালু হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু কেন্দ্র থেকে অতিরিক্ত প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।তথ্য অনুযায়ী, গতকাল দুপুরে ১৪ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১২ হাজার ৩২৪ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ঘাটতি ছিল দুই হাজার মেগাওয়াটের বেশি। বিকেলে উৎপাদন বাড়লেও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি।বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, আগামী মাসে চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়ালে সংকট আরও বাড়তে পারে। পর্যাপ্ত জ্বালানি নিশ্চিত না হলে লোডশেডিং ব্যাপক আকার ধারণ করবে।বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সংকট শুধু একটি প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়—এটি এখন অর্থনীতি, কৃষি ও মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন