বাংলাদেশে একটি পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ তথ্য জানান। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পুলিশ সংস্কার, নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন কৌশল এবং বাণিজ্য সহযোগিতাসহ বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী। পুলিশ সংস্কার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার একটি পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে। এ ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা গ্রহণ করা যেতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন, নববর্ষে ঐক্যের আহ্বান: ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার’—শফিকুর রহমান
ইইউ প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ পুলিশের আধুনিকায়নে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূত ইউরোপীয় অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আরও পড়ুন, অধ্যাদেশ বাতিলের পর মানবাধিকার কমিশনে অচলাবস্থা
এছাড়া দুর্নীতি দমন কৌশল শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে ইইউ, এবং এ বিষয়ে কারিগরি সহযোগিতার আশ্বাস দেয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো দ্রুত নির্ধারণের নির্দেশ দেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সচিব রেবেকা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং ইইউ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশে একটি পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ তথ্য জানান। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পুলিশ সংস্কার, নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন কৌশল এবং বাণিজ্য সহযোগিতাসহ বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী। পুলিশ সংস্কার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার একটি পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে। এ ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা গ্রহণ করা যেতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন, নববর্ষে ঐক্যের আহ্বান: ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার’—শফিকুর রহমান
ইইউ প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ পুলিশের আধুনিকায়নে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূত ইউরোপীয় অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আরও পড়ুন, অধ্যাদেশ বাতিলের পর মানবাধিকার কমিশনে অচলাবস্থা
এছাড়া দুর্নীতি দমন কৌশল শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে ইইউ, এবং এ বিষয়ে কারিগরি সহযোগিতার আশ্বাস দেয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো দ্রুত নির্ধারণের নির্দেশ দেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সচিব রেবেকা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং ইইউ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন