ঝিনাইদহ পার্কপাড়ায়, শহীদ আলমগীর সড়ক, ঝিনাইদহ সদর থানা কতৃক পুলিশের নোটিশ ( আগামী ইং ১৯/০৪/২০২৬ খ্রিষ্টঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে শুনানির দিন ধার্য আছে। উক্ত ধার্য তারিখ উভয় পক্ষকে হাজির হইয়া এবং দ্বিতীয় পক্ষকে নালিশি জায়গা জমি সংক্রান্তে শোনার জন্য বিজ্ঞ আদালত আদেশ প্রদান করিয়াছেন। আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আপনারা নালিশি জায়গা জমিতে দখল ভিত্তিক শান্তির শৃঙ্খলা বজায় রাখিবেন। কোন তথ্য বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অমান্য করিয়া নালিশি জায়গা জমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে) অমান্য করে ভোগদখলকৃত বাড়ি থেকে মেরে জোরপূর্বক দুই বোন ১/ মোছাঃ খিয়াম ২/ আশরাফুর নাহার (৪০) এবং বড় বোনের স্বামী মোঃ হাফিজুর রহমান (৬৫) পিতা: মৃত আব্দুল মালেক তাড়িয়ে দেয় ১/আবরার হোসেন(২৩) পিতা:মৃত ইমরান হোসেন, মাতা: মৃত রোকেয়া বেগম ২/মোঃ রুহুল কুদ্দুস রাছিব (৩০) ঐ ৩/মোঃ রাকিব হাসান (৩৫) ঐ ৪/ রোকনুজ্জামান (৩৮) ঐ আপন চার ভাই।
আরও পড়ুন, কূখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গরু চোর ও পুলিশের সোর্স জয়নাল জিহাদকে রক্ষার চেষ্টা
এসময় বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর, শর্নালংকার এবং নগদ দুই লক্ষ টাকাও লুট করা হয়। ছোট বোন মোছাঃ খিয়াম (২৬) গুরুত্ব জখম হয়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও পালিয়ে বেড়াচ্ছ খিয়ামের স্বামী মোঃ রাজিব (৩৩) পিতা: মোঃ রবিউল ইসলাম ও বড় বোন মোছাঃ আশরাফুন নাহার (৪০)। হাফিজুর রহমান (৬৫) পিতা:মৃত আব্দুল মালেক। অতঃপর ভুক্তভোগী পরিবার থানায় অভিযোগ করতে গেলে, অভিযোগপত্র গ্রহন না করে পুলিশ আদালতের দারস্থ হতে বলে।
অপরদিকে ভোক্তভুগীরা বাড়ি ফিরে দেখে বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর করে দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়। অপরদিকে মোছাঃ খিয়ামের আপন ভাই আবরার হোসেন আপন বোনদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং বাকি ৩ ভাই বিভিন্ন মাধ্যমে বোন ও বোনদের স্বামীদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আপন ভাইদের দ্বারা প্রাণনাশের হুমকিতে এবং মিথ্যা সাজানো মামলায় ফাঁসানোর আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ভুক্তভুগী পরিবার। এমনটাই অভিযোগ করেছেন দুই বোন মোছাঃ খিয়াম (২৬) ও মোছাঃ আশরাফুন নাহার (৪০) আপন চার ভাইদের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন, চন্দনাইশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রথমবারের মতো সম্মিলিত বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা ১৪৩৩
এবিষয়ে ভোক্তাভুগী পরিবার সরকারের কাছে আকুতি করে বিচার চেয়ে বলে, আমরা দুই বোন আমাদের বাবার বাড়িতেই থাকি। কিন্তু বাবা-মারা যাওয়ার পর থেকেই সব সময় আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে, বিভিন্ন সময়ে তেড়ে মারতে আসে। সব শেষ আমাদের পৈতৃক স্থাবর সম্পত্তি হতে চিরতরে বিতারিত করার উদ্দেশ্যে ০৮/০৪/২০২৬ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ৮:০০ ঘটিকার সময় আমার চার ভাই আমাকে এবং আমার মেজো বোন আশরাপুন নাহারকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লোহার রড খাবন দেশীয় অস্ত্রে শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের ঘরের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে। আমাকে বেধড়ক মেরে এবং হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।
এ সময় আমার পায়ের রগ বন্টন করারও চেষ্টা চালানো হয়। তখন আমি জোরে চিৎকার করলে আশপাশের মানুষ এসে আমাকে আমার বোনকে উদ্ধার করে। এ সময়ে তারা ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে, পাঁচ ভরি স্বর্ণ লংকারএবং নগর ২ লক্ষ টাকা লুট করে। তারপর আমরা ঝিনাইদহ সদর থানায় বিচার চাইতে গেলে পুলিশ আমাদের আদালতের দ্বারস্থ হতে বলে। এদিকে ভাইয়েরা আমাদের বাসা ভাঙচুর করে তালা লাগিয়ে রাখে। এখন আমরা ভাসমান হয়ে অসহায় হয়ে আছি। তাই দেশ ও সরকারের কাছে, আমাদের আকুল আবেদন, আমাদের এই দুর্ভোগ দুর অবস্থার কথা বিবেচনা করে, এই ঘটনাটি তদন্তপূর্বক আমাদের সুবিচার নিশ্চিত করুন। তা না হলে আমরা আমাদের মাথা গোজার ঠাইটুকু হারিয়ে ফেলবো"।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
ঝিনাইদহ পার্কপাড়ায়, শহীদ আলমগীর সড়ক, ঝিনাইদহ সদর থানা কতৃক পুলিশের নোটিশ ( আগামী ইং ১৯/০৪/২০২৬ খ্রিষ্টঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে শুনানির দিন ধার্য আছে। উক্ত ধার্য তারিখ উভয় পক্ষকে হাজির হইয়া এবং দ্বিতীয় পক্ষকে নালিশি জায়গা জমি সংক্রান্তে শোনার জন্য বিজ্ঞ আদালত আদেশ প্রদান করিয়াছেন। আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আপনারা নালিশি জায়গা জমিতে দখল ভিত্তিক শান্তির শৃঙ্খলা বজায় রাখিবেন। কোন তথ্য বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অমান্য করিয়া নালিশি জায়গা জমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে) অমান্য করে ভোগদখলকৃত বাড়ি থেকে মেরে জোরপূর্বক দুই বোন ১/ মোছাঃ খিয়াম ২/ আশরাফুর নাহার (৪০) এবং বড় বোনের স্বামী মোঃ হাফিজুর রহমান (৬৫) পিতা: মৃত আব্দুল মালেক তাড়িয়ে দেয় ১/আবরার হোসেন(২৩) পিতা:মৃত ইমরান হোসেন, মাতা: মৃত রোকেয়া বেগম ২/মোঃ রুহুল কুদ্দুস রাছিব (৩০) ঐ ৩/মোঃ রাকিব হাসান (৩৫) ঐ ৪/ রোকনুজ্জামান (৩৮) ঐ আপন চার ভাই।
আরও পড়ুন, কূখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গরু চোর ও পুলিশের সোর্স জয়নাল জিহাদকে রক্ষার চেষ্টা
এসময় বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর, শর্নালংকার এবং নগদ দুই লক্ষ টাকাও লুট করা হয়। ছোট বোন মোছাঃ খিয়াম (২৬) গুরুত্ব জখম হয়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও পালিয়ে বেড়াচ্ছ খিয়ামের স্বামী মোঃ রাজিব (৩৩) পিতা: মোঃ রবিউল ইসলাম ও বড় বোন মোছাঃ আশরাফুন নাহার (৪০)। হাফিজুর রহমান (৬৫) পিতা:মৃত আব্দুল মালেক। অতঃপর ভুক্তভোগী পরিবার থানায় অভিযোগ করতে গেলে, অভিযোগপত্র গ্রহন না করে পুলিশ আদালতের দারস্থ হতে বলে।
অপরদিকে ভোক্তভুগীরা বাড়ি ফিরে দেখে বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর করে দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়। অপরদিকে মোছাঃ খিয়ামের আপন ভাই আবরার হোসেন আপন বোনদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং বাকি ৩ ভাই বিভিন্ন মাধ্যমে বোন ও বোনদের স্বামীদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আপন ভাইদের দ্বারা প্রাণনাশের হুমকিতে এবং মিথ্যা সাজানো মামলায় ফাঁসানোর আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ভুক্তভুগী পরিবার। এমনটাই অভিযোগ করেছেন দুই বোন মোছাঃ খিয়াম (২৬) ও মোছাঃ আশরাফুন নাহার (৪০) আপন চার ভাইদের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন, চন্দনাইশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রথমবারের মতো সম্মিলিত বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা ১৪৩৩
এবিষয়ে ভোক্তাভুগী পরিবার সরকারের কাছে আকুতি করে বিচার চেয়ে বলে, আমরা দুই বোন আমাদের বাবার বাড়িতেই থাকি। কিন্তু বাবা-মারা যাওয়ার পর থেকেই সব সময় আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে, বিভিন্ন সময়ে তেড়ে মারতে আসে। সব শেষ আমাদের পৈতৃক স্থাবর সম্পত্তি হতে চিরতরে বিতারিত করার উদ্দেশ্যে ০৮/০৪/২০২৬ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ৮:০০ ঘটিকার সময় আমার চার ভাই আমাকে এবং আমার মেজো বোন আশরাপুন নাহারকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লোহার রড খাবন দেশীয় অস্ত্রে শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের ঘরের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে। আমাকে বেধড়ক মেরে এবং হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।
এ সময় আমার পায়ের রগ বন্টন করারও চেষ্টা চালানো হয়। তখন আমি জোরে চিৎকার করলে আশপাশের মানুষ এসে আমাকে আমার বোনকে উদ্ধার করে। এ সময়ে তারা ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে, পাঁচ ভরি স্বর্ণ লংকারএবং নগর ২ লক্ষ টাকা লুট করে। তারপর আমরা ঝিনাইদহ সদর থানায় বিচার চাইতে গেলে পুলিশ আমাদের আদালতের দ্বারস্থ হতে বলে। এদিকে ভাইয়েরা আমাদের বাসা ভাঙচুর করে তালা লাগিয়ে রাখে। এখন আমরা ভাসমান হয়ে অসহায় হয়ে আছি। তাই দেশ ও সরকারের কাছে, আমাদের আকুল আবেদন, আমাদের এই দুর্ভোগ দুর অবস্থার কথা বিবেচনা করে, এই ঘটনাটি তদন্তপূর্বক আমাদের সুবিচার নিশ্চিত করুন। তা না হলে আমরা আমাদের মাথা গোজার ঠাইটুকু হারিয়ে ফেলবো"।

আপনার মতামত লিখুন