রংপুরে জুলাই ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের হত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেছে।রায়ে দুই পুলিশ সদস্য আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা পোমেল বড়ুয়াকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং প্রক্টর শরিফুল ইসলামকে ৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন , আবু সাঈদ হত্যায় ২ সাবেক পুলিশের ফাঁসি ৩ জনের যাবজ্জীবন
তবে নিহত আবু সাঈদের পরিবার এই রায়ে সন্তুষ্ট নয়। তার বাবা বলেন, “যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হলো, তারা বেঁচে গেছে। আমার দাবি, কঠোরভাবে এর বিচার হোক।” পরিবার অভিযোগ করছে, রায় কার্যকর করতে গিয়ে শুধুমাত্র পুলিশ সদস্য ও সহকারী উপ-পরিদর্শকের ওপর দিয়ে রায় চালানো হয়েছে, কিন্তু হত্যার মূল আদেশদাতারা সাজা পায়নি।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সহায়তা পেলে তারা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে ছাত্র আন্দোলনের সময় আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।
বিষয় : সাঈদ হত্যা রায় ঘোষণা সন্তুষ্ট নন

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
রংপুরে জুলাই ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের হত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেছে।রায়ে দুই পুলিশ সদস্য আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা পোমেল বড়ুয়াকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং প্রক্টর শরিফুল ইসলামকে ৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন , আবু সাঈদ হত্যায় ২ সাবেক পুলিশের ফাঁসি ৩ জনের যাবজ্জীবন
তবে নিহত আবু সাঈদের পরিবার এই রায়ে সন্তুষ্ট নয়। তার বাবা বলেন, “যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হলো, তারা বেঁচে গেছে। আমার দাবি, কঠোরভাবে এর বিচার হোক।” পরিবার অভিযোগ করছে, রায় কার্যকর করতে গিয়ে শুধুমাত্র পুলিশ সদস্য ও সহকারী উপ-পরিদর্শকের ওপর দিয়ে রায় চালানো হয়েছে, কিন্তু হত্যার মূল আদেশদাতারা সাজা পায়নি।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সহায়তা পেলে তারা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে ছাত্র আন্দোলনের সময় আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।

আপনার মতামত লিখুন