ফরিদপুরে সরকারি সহায়তার কার্ড পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক বিধবা নারীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।ভুক্তভোগী নারী (৪৩) অজ্ঞাত বিধবা নারী কোতয়ালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে প্রতিবেশী সুজন শেখ ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে নারীকে রিকশায় শহরের দিকে নিয়ে যান। পরে তাকে একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
আরো পড়ুন , সুনামগঞ্জে দুই গ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ নিহত ২, আহত অন্তত ৪০
ভুক্তভোগী অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনদের সহায়তায় তাকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়। চার দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) মামলা দায়ের করেন তিনি।ভুক্তভোগী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি তো অফিস চিনি না, ওর কথায় বিশ্বাস করে গেছিলাম। স্বামী নাই, অভাবের সংসারে সরকারি সাহায্য পাইব এই আশায় গেছিলাম। কিন্তু আমার জীবনডা শেষ করে দিল। আমি বিচার চাই।”অভিযুক্ত সুজন শেখ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এই মামলা দেওয়া হয়েছে।”পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
বিষয় : ধর্ষণ বিধবা নারী সহায়তার কার্ড

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরে সরকারি সহায়তার কার্ড পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক বিধবা নারীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।ভুক্তভোগী নারী (৪৩) অজ্ঞাত বিধবা নারী কোতয়ালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে প্রতিবেশী সুজন শেখ ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে নারীকে রিকশায় শহরের দিকে নিয়ে যান। পরে তাকে একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
আরো পড়ুন , সুনামগঞ্জে দুই গ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ নিহত ২, আহত অন্তত ৪০
ভুক্তভোগী অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনদের সহায়তায় তাকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়। চার দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) মামলা দায়ের করেন তিনি।ভুক্তভোগী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি তো অফিস চিনি না, ওর কথায় বিশ্বাস করে গেছিলাম। স্বামী নাই, অভাবের সংসারে সরকারি সাহায্য পাইব এই আশায় গেছিলাম। কিন্তু আমার জীবনডা শেষ করে দিল। আমি বিচার চাই।”অভিযুক্ত সুজন শেখ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এই মামলা দেওয়া হয়েছে।”পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন