কুমিল্লা–৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, “যদি ক্ষমতাসীনেরা সংখ্যাগরিষ্ঠতার অহংকারে রাষ্ট্রসংস্থান ও সংস্কার থেকে পিছিয়ে যায়, তবে চব্বিশের মতো আরেকটি গণ–অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি কোনো না কোনো সময় শুরু হতে বাধ্য।” তিনি এই মন্তব্য করেন ৬ মার্চ রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত নাগরিক সংলাপে।হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ১৯৭১–এর মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৭৫ সালের চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থান ব্যক্তিগত ক্ষমতার জন্য নয়, বরং রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল সংস্কারের জন্য হয়েছিল। তিনি সতর্ক করেন, আগের ব্যবস্থাপনা অক্ষুণ্ণ থাকলে যে কেউ ভবিষ্যতে ‘হাসিনা’র মতো ফ্যাসিবাদী আইডিয়ার বহনকারী নেতা হয়ে উঠতে পারে।
আরো পড়ুন , জ্বালানি সংকট আড়াল করছে সরকার ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে রাজপথে নামবে জামায়াত
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রকাঠামো পরিবর্তন না হলে জাতি আবারও অন্ধকারের দিকে ধাবিত হবে। “মানুষ এমন রাষ্ট্র চেয়েছিল যেখানে কাউকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে অদৃশ্য করে দেওয়া হবে না।”সংলাপে হাসনাত উল্লেখ করেন, মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশ যথাযথভাবে কার্যকর না হলে ২০০৯ সালের আইন অনুযায়ী তদন্তের দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে চলে যাবে। এর ফলে পুলিশ অভ্যুত্থান বা হত্যার মতো ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকবে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
বিষয় : প্রস্তুতি অভ্যুত্থান

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লা–৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, “যদি ক্ষমতাসীনেরা সংখ্যাগরিষ্ঠতার অহংকারে রাষ্ট্রসংস্থান ও সংস্কার থেকে পিছিয়ে যায়, তবে চব্বিশের মতো আরেকটি গণ–অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি কোনো না কোনো সময় শুরু হতে বাধ্য।” তিনি এই মন্তব্য করেন ৬ মার্চ রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত নাগরিক সংলাপে।হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ১৯৭১–এর মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৭৫ সালের চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থান ব্যক্তিগত ক্ষমতার জন্য নয়, বরং রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল সংস্কারের জন্য হয়েছিল। তিনি সতর্ক করেন, আগের ব্যবস্থাপনা অক্ষুণ্ণ থাকলে যে কেউ ভবিষ্যতে ‘হাসিনা’র মতো ফ্যাসিবাদী আইডিয়ার বহনকারী নেতা হয়ে উঠতে পারে।
আরো পড়ুন , জ্বালানি সংকট আড়াল করছে সরকার ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে রাজপথে নামবে জামায়াত
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রকাঠামো পরিবর্তন না হলে জাতি আবারও অন্ধকারের দিকে ধাবিত হবে। “মানুষ এমন রাষ্ট্র চেয়েছিল যেখানে কাউকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে অদৃশ্য করে দেওয়া হবে না।”সংলাপে হাসনাত উল্লেখ করেন, মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশ যথাযথভাবে কার্যকর না হলে ২০০৯ সালের আইন অনুযায়ী তদন্তের দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে চলে যাবে। এর ফলে পুলিশ অভ্যুত্থান বা হত্যার মতো ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকবে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

আপনার মতামত লিখুন