দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন না এলে আবারও গণঅভ্যুত্থানের আশঙ্কা রয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম অর্থাৎ জেনারেশন জেড নেতৃত্বে ভবিষ্যতে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে।শনিবার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশ
আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে হলে ভালো রাজনীতি এবং শক্তিশালী অর্থনীতি—দুটিই জরুরি। এই দুইয়ের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। ভালো রাজনীতি ছাড়া ভালো অর্থনীতি গড়ে ওঠে না, আবার শক্তিশালী অর্থনীতি ছাড়া টেকসই রাজনীতিও সম্ভব নয়।তিনি সতর্ক করে বলেন, এই দুই খাতে ঘাটতি তৈরি হলেই সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে রাজপথে
আরো পড়ুন , মুলতবি শেষে পুনরায় শুরু জাতীয় সংসদের অধিবেশন
নামতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশ ও নেপালের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে তিনি এর উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেপালের একমাত্র বিলিয়নিয়ার ও CG Corp Global-এর চেয়ারম্যান বিনোদ কে চৌধুরী। তার লেখা “Made in Nepal: Lessons in Business Building from the Land of Everest” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।বিনোদ চৌধুরী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর উন্নয়নে
আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন, ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব না বাড়িয়ে বরং ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা উচিত।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সম্প্রতি
নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু হওয়াকে তিনি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।গত ৩০ বছরে বাংলাদেশ-নেপাল অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রত্যাশিত হারে এগোয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন না এলে আবারও গণঅভ্যুত্থানের আশঙ্কা রয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম অর্থাৎ জেনারেশন জেড নেতৃত্বে ভবিষ্যতে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে।শনিবার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশ
আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে হলে ভালো রাজনীতি এবং শক্তিশালী অর্থনীতি—দুটিই জরুরি। এই দুইয়ের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। ভালো রাজনীতি ছাড়া ভালো অর্থনীতি গড়ে ওঠে না, আবার শক্তিশালী অর্থনীতি ছাড়া টেকসই রাজনীতিও সম্ভব নয়।তিনি সতর্ক করে বলেন, এই দুই খাতে ঘাটতি তৈরি হলেই সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে রাজপথে
আরো পড়ুন , মুলতবি শেষে পুনরায় শুরু জাতীয় সংসদের অধিবেশন
নামতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশ ও নেপালের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে তিনি এর উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেপালের একমাত্র বিলিয়নিয়ার ও CG Corp Global-এর চেয়ারম্যান বিনোদ কে চৌধুরী। তার লেখা “Made in Nepal: Lessons in Business Building from the Land of Everest” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।বিনোদ চৌধুরী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর উন্নয়নে
আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন, ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব না বাড়িয়ে বরং ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা উচিত।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সম্প্রতি
নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু হওয়াকে তিনি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।গত ৩০ বছরে বাংলাদেশ-নেপাল অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রত্যাশিত হারে এগোয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন