দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত বাড়তে পারে লোডশেডিং

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত বাড়তে পারে লোডশেডিং
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট,

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে।দেশে চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ফলে বাড়ছে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা।পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইতোমধ্যে সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় এক ঘণ্টা কমানো হয়েছে।বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গ্যাস সরবরাহ ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নামলে উৎপাদন সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াটের নিচে নেমে যেতে পারে।


আরো পড়ুন , পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রার নতুন নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’


এপ্রিল-মে মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে, কিন্তু উৎপাদন হতে পারে মাত্র ১৬ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।গতকাল সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট, যেখানে রাতে ১০০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে।বর্তমানে শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে চাপ কিছুটা কমতে পারে, তবে তাপপ্রবাহ বাড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এপ্রিলে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে, যা বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়িয়ে দেবে।

বিষয় : বিদ্যুৎ জ্বালানি লোডশেডিং

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত বাড়তে পারে লোডশেডিং

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে।দেশে চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ফলে বাড়ছে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা।পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইতোমধ্যে সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় এক ঘণ্টা কমানো হয়েছে।বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গ্যাস সরবরাহ ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নামলে উৎপাদন সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াটের নিচে নেমে যেতে পারে।


আরো পড়ুন , পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রার নতুন নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’


এপ্রিল-মে মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে, কিন্তু উৎপাদন হতে পারে মাত্র ১৬ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।গতকাল সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট, যেখানে রাতে ১০০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে।বর্তমানে শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে চাপ কিছুটা কমতে পারে, তবে তাপপ্রবাহ বাড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এপ্রিলে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে, যা বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়িয়ে দেবে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত