রূপগঞ্জের ভোলবতে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা,লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে উপজেলার ভোলাব ইউনিয়নের টাওরা গ্রামে ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের বাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলার অভিযোগ ওঠেছে।
এ সময় হামলাকারীরা বাড়িতে থাকা স্বর্ণ, নগদ টাকা, টিভি, কাপড়চোপড়, মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। বাড়িতে থাকা সকল ধরনের ফার্নিচার, ব্যবহারের জিনিসপত্র ভাংচুর করে তছনছ করে দেয় এবং অগ্নিসংযোগ দেয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ২ তলা বিশিষ্ট বাড়ির নিচের ফ্লোরের সবগুলো রুমে ও কয়েকটি বাথরুমসহ পুরো বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুরের দৃশ্য। প্রতিটি কক্ষ ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।
আরও পড়ুন, হৃদযন্ত্রে ছিদ্র, বাঁচাতে দরকার ৪ লাখ টাকা অসহায় ভ্যানচালক বাবার আকুতি
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী রফিকুলের স্ত্রী নাজনীন আক্তার বলেন,আমাদের বাড়িতে পুরুষ মানুষ ছিলনা। সবাই ডাংগা বাজারে ব্যবসা করে। আমার স্বামী ডাংগা বাজারের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি প্রায় ২৫/৩০ বছর যাবত সুনামের সহিত ব্যবসা-বানিজ্য পরিচালনা করতেছেন। হঠাৎ করে একদল সন্ত্রাসী দেশী অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়ির ছাদের গেইট ভেঙে ঘরের ভিতর ঢুকে হামলা চালিয়ে সবকিছু ভাংচুর করে। আমাদের ২০ ভরি স্বর্ণালংকার, ব্যবসায়ী কাজের নগদ ১৩ লাখ টাকা, টিভি, কাপড়চোপড় সহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যাবার সময় ঘরে আগুন লাগিয়ে সবকিছু জ্বালিয়ে দেয়। আমাদের এত বড় ক্ষয়ক্ষতির সুষ্ঠু বিচার চাই।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে স্ট্রবেরি চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য
ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় আমি ব্যবসায়ী কাজে বাজের ছিলাম। এসময় বাড়ি থেকে খবর আসে কে বা কাহারা আমার বাড়িতে হামলা করেছে। পরে জানতে পারি হামলাকারীরা বাড়ি ভাংচুর, লুটপাট করে স্বর্ণালংকার, আমার ব্যবসায়ী কাজের নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যাবার সময় বাড়ির আগুন জ্বালিয়ে দেয়। পরে আমি পুলিশকে ফোন দেই। এ ঘটনায় আইনী ব্যবস্হা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেন।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
রূপগঞ্জের ভোলবতে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা,লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে উপজেলার ভোলাব ইউনিয়নের টাওরা গ্রামে ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের বাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলার অভিযোগ ওঠেছে।
এ সময় হামলাকারীরা বাড়িতে থাকা স্বর্ণ, নগদ টাকা, টিভি, কাপড়চোপড়, মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। বাড়িতে থাকা সকল ধরনের ফার্নিচার, ব্যবহারের জিনিসপত্র ভাংচুর করে তছনছ করে দেয় এবং অগ্নিসংযোগ দেয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ২ তলা বিশিষ্ট বাড়ির নিচের ফ্লোরের সবগুলো রুমে ও কয়েকটি বাথরুমসহ পুরো বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুরের দৃশ্য। প্রতিটি কক্ষ ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।
আরও পড়ুন, হৃদযন্ত্রে ছিদ্র, বাঁচাতে দরকার ৪ লাখ টাকা অসহায় ভ্যানচালক বাবার আকুতি
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী রফিকুলের স্ত্রী নাজনীন আক্তার বলেন,আমাদের বাড়িতে পুরুষ মানুষ ছিলনা। সবাই ডাংগা বাজারে ব্যবসা করে। আমার স্বামী ডাংগা বাজারের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি প্রায় ২৫/৩০ বছর যাবত সুনামের সহিত ব্যবসা-বানিজ্য পরিচালনা করতেছেন। হঠাৎ করে একদল সন্ত্রাসী দেশী অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়ির ছাদের গেইট ভেঙে ঘরের ভিতর ঢুকে হামলা চালিয়ে সবকিছু ভাংচুর করে। আমাদের ২০ ভরি স্বর্ণালংকার, ব্যবসায়ী কাজের নগদ ১৩ লাখ টাকা, টিভি, কাপড়চোপড় সহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যাবার সময় ঘরে আগুন লাগিয়ে সবকিছু জ্বালিয়ে দেয়। আমাদের এত বড় ক্ষয়ক্ষতির সুষ্ঠু বিচার চাই।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে স্ট্রবেরি চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য
ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় আমি ব্যবসায়ী কাজে বাজের ছিলাম। এসময় বাড়ি থেকে খবর আসে কে বা কাহারা আমার বাড়িতে হামলা করেছে। পরে জানতে পারি হামলাকারীরা বাড়ি ভাংচুর, লুটপাট করে স্বর্ণালংকার, আমার ব্যবসায়ী কাজের নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যাবার সময় বাড়ির আগুন জ্বালিয়ে দেয়। পরে আমি পুলিশকে ফোন দেই। এ ঘটনায় আইনী ব্যবস্হা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেন।

আপনার মতামত লিখুন