রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা ক্রমেই কমে আসায় নতুন খাদ্য বণ্টন নীতি চালু করেছে World Food Programme (ডব্লিউএফপি)। আগে যেখানে জনপ্রতি মাসে ১২ ডলার সমপরিমাণ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হতো, এখন তা কমিয়ে ৭, ১০ ও ১২ ডলারে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ১৭ শতাংশ রোহিঙ্গা পাবেন ৭ ডলার, ৩৩ শতাংশ পাবেন ১২ ডলার (বিশেষ ক্ষেত্রে
অতিরিক্ত সহায়তাসহ) এবং বাকি ৫০ শতাংশ পাবেন ১০ ডলার করে। পরিবারভিত্তিক খাদ্যনিরাপত্তার ওপর ভিত্তি করে এই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।শরণার্থী সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকটের সময় যেখানে আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার ছিল, তা গত বছরে কমে দাঁড়িয়েছে ৪০০ মিলিয়নে। চলতি বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হলেও অর্থায়ন অনিশ্চিত।
আরো পড়ুন , চার দিনের সফর শেষে ঢাকায় ফিরলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, খাদ্য সহায়তা কমে গেলে ক্যাম্পগুলোতে অপুষ্টি বাড়বে এবং জীবিকার সংকটে পড়ে অনেক রোহিঙ্গা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে পারে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার ও ভাসানচর এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।রোহিঙ্গা নেতাদের মতে, এই নতুন রেশন ব্যবস্থা বৈষম্যমূলক এবং এতে মানবিক সংকট আরও গভীর হতে পারে।
বিষয় : আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গাদের আসায় নতুন খাদ্য

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা ক্রমেই কমে আসায় নতুন খাদ্য বণ্টন নীতি চালু করেছে World Food Programme (ডব্লিউএফপি)। আগে যেখানে জনপ্রতি মাসে ১২ ডলার সমপরিমাণ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হতো, এখন তা কমিয়ে ৭, ১০ ও ১২ ডলারে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ১৭ শতাংশ রোহিঙ্গা পাবেন ৭ ডলার, ৩৩ শতাংশ পাবেন ১২ ডলার (বিশেষ ক্ষেত্রে
অতিরিক্ত সহায়তাসহ) এবং বাকি ৫০ শতাংশ পাবেন ১০ ডলার করে। পরিবারভিত্তিক খাদ্যনিরাপত্তার ওপর ভিত্তি করে এই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।শরণার্থী সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকটের সময় যেখানে আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার ছিল, তা গত বছরে কমে দাঁড়িয়েছে ৪০০ মিলিয়নে। চলতি বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হলেও অর্থায়ন অনিশ্চিত।
আরো পড়ুন , চার দিনের সফর শেষে ঢাকায় ফিরলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, খাদ্য সহায়তা কমে গেলে ক্যাম্পগুলোতে অপুষ্টি বাড়বে এবং জীবিকার সংকটে পড়ে অনেক রোহিঙ্গা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে পারে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার ও ভাসানচর এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।রোহিঙ্গা নেতাদের মতে, এই নতুন রেশন ব্যবস্থা বৈষম্যমূলক এবং এতে মানবিক সংকট আরও গভীর হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন