বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎসজীবিদের জনপ্রতি ১৬০ কেজি চাল বরাদ্দ থাকলেও মৎস্যজীবী পেয়েছেন ১৫০ কেজি করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের ৫০০ জনের মৎস্য কার্ড থাকলেও এর মধ্যে অনেকের জাল এবং নৌকার সাথে কোন সম্পর্ক নেই। অনেকে রয়েছেন প্রবাসে তারাও মৎস্য চালের আওতারভুক্ত হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সরকারি ছুটির দিন এসব চাল বিতরণ করা হয়েছে বলেও বলছেন সাধারণ মানুষ। এ ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রনজিত কুমার ও ট্যাগ অফিসার উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা ত্রিদীপ সরকার কে ও জানানো হয়নি বলে জানিয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় রাজনীতি-ঠিকাদারিতে ব্যস্ত শিক্ষক: ক্লাস নেন প্রক্সি শিক্ষক
ওই ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত মৎসজীবি সনজীব বাওয়ালী,বাবুল মন্ডল,তুহিন হালদার,সোবাহান হাওলাদার,নাসির গাজী, রতন মজুমদার,হানিফ মোল্লা এদের নাম বিতরণকৃত তালিকায় থাকলেও তারা চাল পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে পরিবহনের বরাত দিয়ে ১৮০ টাকা করে নগদ উত্তোলনের কথাও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।চিড়িংখালী ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা,কে এম জুলফিকার আলীর নামে সরকারি বরাদ্দের ৮০ টন চালের ডিউ থাকলেও তিনি সেটা আমলে না নিয়ে ইউপি দফাদার আবু বকর সিদ্দিক খোকার নামে হস্তান্তর করে এবং রাতের আধারে ওই দফাদার কিছু উপকারভোগীদের না দিয়ে চন্ডিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বসে অবৈধভাবে বিতরন করেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্রশাসক ও উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার জানিয়েছেন,আমাকে চাল বিতরনের বিষয়ে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমাকে কিছু জানায়নি। অভিযোগ পেয়েছি।
আরও পড়ুন, চট্টগ্রাম বন্দরে ’জিরো ওয়েটিং টাইমে’ আমদানি-রপ্তানিতে স্বস্তি
মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ'র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,চাল বিতরণে অনিয়মের ঘটনাটি আমি শুনেছি এবং তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনা তদন্তে সহকারী কমিশনার (ভুমি) অতীশ সরকারকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে,তদন্ত প্রতিবেদন পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে। উল্লেখ্য ১লা নভেম্বর থেকে ৪ মাস জাটকা আহরণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় সরকার কার্ডধারী মৎস্যজীবী পরিবারকে জনপ্রতি ১৬০ কেজি করে ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দিয়েছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎসজীবিদের জনপ্রতি ১৬০ কেজি চাল বরাদ্দ থাকলেও মৎস্যজীবী পেয়েছেন ১৫০ কেজি করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের ৫০০ জনের মৎস্য কার্ড থাকলেও এর মধ্যে অনেকের জাল এবং নৌকার সাথে কোন সম্পর্ক নেই। অনেকে রয়েছেন প্রবাসে তারাও মৎস্য চালের আওতারভুক্ত হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সরকারি ছুটির দিন এসব চাল বিতরণ করা হয়েছে বলেও বলছেন সাধারণ মানুষ। এ ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রনজিত কুমার ও ট্যাগ অফিসার উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা ত্রিদীপ সরকার কে ও জানানো হয়নি বলে জানিয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় রাজনীতি-ঠিকাদারিতে ব্যস্ত শিক্ষক: ক্লাস নেন প্রক্সি শিক্ষক
ওই ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত মৎসজীবি সনজীব বাওয়ালী,বাবুল মন্ডল,তুহিন হালদার,সোবাহান হাওলাদার,নাসির গাজী, রতন মজুমদার,হানিফ মোল্লা এদের নাম বিতরণকৃত তালিকায় থাকলেও তারা চাল পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে পরিবহনের বরাত দিয়ে ১৮০ টাকা করে নগদ উত্তোলনের কথাও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।চিড়িংখালী ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা,কে এম জুলফিকার আলীর নামে সরকারি বরাদ্দের ৮০ টন চালের ডিউ থাকলেও তিনি সেটা আমলে না নিয়ে ইউপি দফাদার আবু বকর সিদ্দিক খোকার নামে হস্তান্তর করে এবং রাতের আধারে ওই দফাদার কিছু উপকারভোগীদের না দিয়ে চন্ডিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বসে অবৈধভাবে বিতরন করেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্রশাসক ও উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার জানিয়েছেন,আমাকে চাল বিতরনের বিষয়ে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমাকে কিছু জানায়নি। অভিযোগ পেয়েছি।
আরও পড়ুন, চট্টগ্রাম বন্দরে ’জিরো ওয়েটিং টাইমে’ আমদানি-রপ্তানিতে স্বস্তি
মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ'র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,চাল বিতরণে অনিয়মের ঘটনাটি আমি শুনেছি এবং তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনা তদন্তে সহকারী কমিশনার (ভুমি) অতীশ সরকারকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে,তদন্ত প্রতিবেদন পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে। উল্লেখ্য ১লা নভেম্বর থেকে ৪ মাস জাটকা আহরণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় সরকার কার্ডধারী মৎস্যজীবী পরিবারকে জনপ্রতি ১৬০ কেজি করে ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন