সারাদেশের ন্যায় রংপুরেও জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা রোধ, বিপণনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে তেলের ডিপোগুলোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, শ্রীপুর পৌরসভায় ২৪ লাখ টাকার ইটের সলিং কাজের উদ্বোধন
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে নেওয়া এই পদক্ষেপের ফলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অবৈধ মজুত কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে রংপুর অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ডিপোগুলোতে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বিঘ্ন ও কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর মজুতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরকার এই সিদ্ধান্ত নেয়। এর মাধ্যমে তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন, বিএনপিতে ‘হাইব্রিড’দের দৌরাত্ম্য, কোণঠাসা ত্যাগী নেতাকর্মীরা
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিজিবি মোতায়েনের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবৈধ মজুতের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে সাধারণ মানুষ ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তারা আশা করছেন, দ্রুতই জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত হবে এবং ভোগান্তি কমবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
সারাদেশের ন্যায় রংপুরেও জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা রোধ, বিপণনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে তেলের ডিপোগুলোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, শ্রীপুর পৌরসভায় ২৪ লাখ টাকার ইটের সলিং কাজের উদ্বোধন
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে নেওয়া এই পদক্ষেপের ফলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অবৈধ মজুত কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে রংপুর অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ডিপোগুলোতে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বিঘ্ন ও কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর মজুতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরকার এই সিদ্ধান্ত নেয়। এর মাধ্যমে তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন, বিএনপিতে ‘হাইব্রিড’দের দৌরাত্ম্য, কোণঠাসা ত্যাগী নেতাকর্মীরা
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিজিবি মোতায়েনের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবৈধ মজুতের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে সাধারণ মানুষ ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তারা আশা করছেন, দ্রুতই জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত হবে এবং ভোগান্তি কমবে।

আপনার মতামত লিখুন