রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।এ সময় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
সকালেই উপজেলা পরিষদ মাঠে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে পুলিশ,
আরো পড়ুন , ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে যাত্রীবাহী বাস উদ্ধার ২৩ মরদেহ
আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ স্কাউটস, রোভার স্কাউটস, গার্লস গাইড, কাবদল এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার সভাপতিত্বে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।এছাড়া মসজিদসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয় এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।দিনব্যাপী কর্মসূচিতে রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজীসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : স্বাধীনতা পুষ্পস্তবক উদযাপন

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।এ সময় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
সকালেই উপজেলা পরিষদ মাঠে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে পুলিশ,
আরো পড়ুন , ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে যাত্রীবাহী বাস উদ্ধার ২৩ মরদেহ
আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ স্কাউটস, রোভার স্কাউটস, গার্লস গাইড, কাবদল এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার সভাপতিত্বে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।এছাড়া মসজিদসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয় এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।দিনব্যাপী কর্মসূচিতে রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজীসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন