মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় ২০ কেজি গাঁজাসহ মো. সোহেল শেখ (৪৫) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। (১৫ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার জাফরগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তিনি জাফরগঞ্জ রঘুনাথপুর এলাকার মৃত ফরিদ শেখের ছেলে।তবে এ ঘটনার তদন্তে উঠে এসেছে আরও উদ্বেগজনক তথ্য। স্থানীয় একটি মাদক চক্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন পুলিশেরই এক চাকরিচ্যুত সদস্য। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাবেক সদস্যের এমন সংশ্লিষ্টতায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, জাফরগঞ্জ গ্রামের চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য সোহাগ একটি বড় মাদকের চালান এলাকায় এনেছেন। ওই চালানটি সাময়িকভাবে সোহেল শেখের বাড়িতে রেখে দেওয়া হয়।
আরো পড়ুন , ঈদকে সামনে রেখে বিপনী বিতান গুলোতে উপচে পড়া ভিড়
পরে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের প্রস্তুতি চলছিল। তথ্য পেয়ে শিবালয় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মানবেন্দ্র বালোর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গভীর রাতে সোহেলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সোহেলকে আটক করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির রান্নাঘরে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য সোহাগ দীর্ঘদিন ধরেই একটি মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত। তার স্ত্রী শান্তা বেগমের বাবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া এলাকায়। সেখান থেকে নিয়মিতভাবে মাদকের চালান এনে দিতেন শান্তা বেগম। পরে সোহাগের মাধ্যমে দৌলতপুর, ঘিওরসহ আশপাশের চরাঞ্চলে এসব মাদক পাইকারিভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হতো।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় ২০ কেজি গাঁজাসহ মো. সোহেল শেখ (৪৫) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। (১৫ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার জাফরগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তিনি জাফরগঞ্জ রঘুনাথপুর এলাকার মৃত ফরিদ শেখের ছেলে।তবে এ ঘটনার তদন্তে উঠে এসেছে আরও উদ্বেগজনক তথ্য। স্থানীয় একটি মাদক চক্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন পুলিশেরই এক চাকরিচ্যুত সদস্য। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাবেক সদস্যের এমন সংশ্লিষ্টতায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, জাফরগঞ্জ গ্রামের চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য সোহাগ একটি বড় মাদকের চালান এলাকায় এনেছেন। ওই চালানটি সাময়িকভাবে সোহেল শেখের বাড়িতে রেখে দেওয়া হয়।
আরো পড়ুন , ঈদকে সামনে রেখে বিপনী বিতান গুলোতে উপচে পড়া ভিড়
পরে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের প্রস্তুতি চলছিল। তথ্য পেয়ে শিবালয় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মানবেন্দ্র বালোর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গভীর রাতে সোহেলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সোহেলকে আটক করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির রান্নাঘরে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য সোহাগ দীর্ঘদিন ধরেই একটি মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত। তার স্ত্রী শান্তা বেগমের বাবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া এলাকায়। সেখান থেকে নিয়মিতভাবে মাদকের চালান এনে দিতেন শান্তা বেগম। পরে সোহাগের মাধ্যমে দৌলতপুর, ঘিওরসহ আশপাশের চরাঞ্চলে এসব মাদক পাইকারিভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হতো।

আপনার মতামত লিখুন