বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ‘নেতা’ মানেই যেখানে প্রটোকলের বেড়াজাল আর ক্ষমতার মহড়া, সেখানে সম্পূর্ণ বিপরীত এক চিত্র ফুটিয়ে তুলছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনায় তার আচরণে ফুটে উঠেছে বিনয়, সহনশীলতা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একে দেখছেন ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের এক ইতিবাচক সংকেত হিসেবে।
সম্প্রতি একটি ইফতার মাহফিলে তারেক রহমানের একটি সৌজন্যমূলক আচরণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মাহফিলে উপস্থিত একজন বয়োজ্যেষ্ঠ আলেমের জন্য তিনি নিজ হাতে চেয়ার এগিয়ে দেন। কেবল উপহার বা দোয়া গ্রহণই নয়, বরং মুরব্বিদের প্রতি এই ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা প্রদর্শনকে অনেকেই ‘বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত’ হিসেবে অভিহিত করছেন। ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের প্রতি এই সম্মান প্রদর্শন তারেক রহমানের এক অন্যরকম ইমেজ তৈরি করছে।
আরো পড়ুন , তিন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ ঝড়ের আভাস
ভিআইপি সংস্কৃতির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাংলাদেশের চিরচেনা দৃশ্য। তবে সম্প্রতি তারেক রহমানকে দেখা গেছে ভিন্নরূপে। কোনো বিশেষ প্রটোকল বা রাস্তা দখল না করে সাধারণ মানুষের মতোই ট্রাফিক জ্যামে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন তিনি। ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকেও জনগণের প্রাত্যহিক কষ্টকে কাছ থেকে অনুভব করার এই মানসিকতা সাধারণ নাগরিকদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।বিগত কয়েক দশকের প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে এক অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তারেক রহমান। বিরোধী দল ও ভিন্নমতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং সৌহার্দ্যের বার্তা দিয়ে তিনি প্রমাণ করছেন যে, উন্নয়ন কেবল অবকাঠামোতে নয়, বরং রাজনৈতিক সহাবস্থানেও জরুরি।
"রাজনীতি মানে কেবল জয়-পরাজয় নয়, বরং মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া।" — এই দর্শনই যেন তারেক রহমানের সাম্প্রতিক প্রতিটি পদক্ষেপে প্রতিফলিত হচ্ছে।
তারেক রহমানের এই মানবিক ও বিনয়ী আচরণ কি বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে স্থায়ী পরিবর্তন আনবে? এটিই কি তবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত 'নতুন বাংলাদেশ'???
বিষয় : তারেক রহমানের শোক মানবিকতা বেড়াজাল

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ‘নেতা’ মানেই যেখানে প্রটোকলের বেড়াজাল আর ক্ষমতার মহড়া, সেখানে সম্পূর্ণ বিপরীত এক চিত্র ফুটিয়ে তুলছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনায় তার আচরণে ফুটে উঠেছে বিনয়, সহনশীলতা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একে দেখছেন ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের এক ইতিবাচক সংকেত হিসেবে।
সম্প্রতি একটি ইফতার মাহফিলে তারেক রহমানের একটি সৌজন্যমূলক আচরণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মাহফিলে উপস্থিত একজন বয়োজ্যেষ্ঠ আলেমের জন্য তিনি নিজ হাতে চেয়ার এগিয়ে দেন। কেবল উপহার বা দোয়া গ্রহণই নয়, বরং মুরব্বিদের প্রতি এই ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা প্রদর্শনকে অনেকেই ‘বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত’ হিসেবে অভিহিত করছেন। ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের প্রতি এই সম্মান প্রদর্শন তারেক রহমানের এক অন্যরকম ইমেজ তৈরি করছে।
আরো পড়ুন , তিন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ ঝড়ের আভাস
ভিআইপি সংস্কৃতির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাংলাদেশের চিরচেনা দৃশ্য। তবে সম্প্রতি তারেক রহমানকে দেখা গেছে ভিন্নরূপে। কোনো বিশেষ প্রটোকল বা রাস্তা দখল না করে সাধারণ মানুষের মতোই ট্রাফিক জ্যামে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন তিনি। ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকেও জনগণের প্রাত্যহিক কষ্টকে কাছ থেকে অনুভব করার এই মানসিকতা সাধারণ নাগরিকদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।বিগত কয়েক দশকের প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে এক অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তারেক রহমান। বিরোধী দল ও ভিন্নমতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং সৌহার্দ্যের বার্তা দিয়ে তিনি প্রমাণ করছেন যে, উন্নয়ন কেবল অবকাঠামোতে নয়, বরং রাজনৈতিক সহাবস্থানেও জরুরি।
"রাজনীতি মানে কেবল জয়-পরাজয় নয়, বরং মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া।" — এই দর্শনই যেন তারেক রহমানের সাম্প্রতিক প্রতিটি পদক্ষেপে প্রতিফলিত হচ্ছে।
তারেক রহমানের এই মানবিক ও বিনয়ী আচরণ কি বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে স্থায়ী পরিবর্তন আনবে? এটিই কি তবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত 'নতুন বাংলাদেশ'???

আপনার মতামত লিখুন