সিংগাইর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কর্মতৎপরতা যাচাই করতে কোনো ঘোষণা ছাড়াই আকস্মিক পরিদর্শনে হাজির হলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। (১১ মার্চ) সকালে সম্পূর্ণ ছদ্মবেশে এবং প্রটোকল ছাড়াই তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপস্থিত হয়ে চমক সৃষ্টি করেন।সকাল ৯টার দিকে প্রতিমন্ত্রী কোনো ধরনের পুলিশি নিরাপত্তা বা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সাধারণ বেশে সিংগাইর উপজেলা পরিষদে প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁর সরকারি গাড়ির পতাকাটিও ঢাকা ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপস্থিত সাধারণ মানুষ কিংবা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রথমে টেরই পাননি যে তাদের মাঝে খোদ প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত হয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী সরাসরি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খায়রুন্নাহারের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে কিছুক্ষণ কুশল বিনিময়ের পর তিনি নিজের পরিচয় প্রদান করেন এবং উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি মতবিনিময়ের নির্দেশ দেন।
আরো পড়ুন , পলাশবাড়ীর বিষ্ণুপুর জামে মসজিদের ইমাম - মুয়াজ্জিনের নাম প্রেরণে অনিয়মের অভিযোগ
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, তিনি অফিসে আসার পাঁচ মিনিটের মাথায় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় উপস্থিত হন। প্রায় এক ঘণ্টা উপজেলা চত্বরে অবস্থানকালে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি যাচাই করেন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান অধিকাংশ কর্মকর্তাকে যথা সময়ে কর্মস্থলে পাওয়া গেছে। দুই-একজন অনুপস্থিত থাকলেও তারা পূর্ব অনুমোদিত ছুটিতে ছিলেন। সামগ্রিক উপস্থিতিতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।মতবিনিময় সভায় মো. আব্দুল বারী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনসেবা। তিনি নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং সেবার মান উন্নত করতে কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন।পরিদর্শন শেষে সকাল ১০টার দিকে প্রতিমন্ত্রী যখন উপজেলা চত্বর ত্যাগ করেন, তখন তাঁর গাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং যথাযথ পুলিশি প্রটোকলের মাধ্যমে তাকে বিদায় জানানো হয়

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
সিংগাইর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কর্মতৎপরতা যাচাই করতে কোনো ঘোষণা ছাড়াই আকস্মিক পরিদর্শনে হাজির হলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। (১১ মার্চ) সকালে সম্পূর্ণ ছদ্মবেশে এবং প্রটোকল ছাড়াই তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপস্থিত হয়ে চমক সৃষ্টি করেন।সকাল ৯টার দিকে প্রতিমন্ত্রী কোনো ধরনের পুলিশি নিরাপত্তা বা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সাধারণ বেশে সিংগাইর উপজেলা পরিষদে প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁর সরকারি গাড়ির পতাকাটিও ঢাকা ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপস্থিত সাধারণ মানুষ কিংবা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রথমে টেরই পাননি যে তাদের মাঝে খোদ প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত হয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী সরাসরি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খায়রুন্নাহারের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে কিছুক্ষণ কুশল বিনিময়ের পর তিনি নিজের পরিচয় প্রদান করেন এবং উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি মতবিনিময়ের নির্দেশ দেন।
আরো পড়ুন , পলাশবাড়ীর বিষ্ণুপুর জামে মসজিদের ইমাম - মুয়াজ্জিনের নাম প্রেরণে অনিয়মের অভিযোগ
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, তিনি অফিসে আসার পাঁচ মিনিটের মাথায় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় উপস্থিত হন। প্রায় এক ঘণ্টা উপজেলা চত্বরে অবস্থানকালে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি যাচাই করেন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান অধিকাংশ কর্মকর্তাকে যথা সময়ে কর্মস্থলে পাওয়া গেছে। দুই-একজন অনুপস্থিত থাকলেও তারা পূর্ব অনুমোদিত ছুটিতে ছিলেন। সামগ্রিক উপস্থিতিতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।মতবিনিময় সভায় মো. আব্দুল বারী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনসেবা। তিনি নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং সেবার মান উন্নত করতে কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন।পরিদর্শন শেষে সকাল ১০টার দিকে প্রতিমন্ত্রী যখন উপজেলা চত্বর ত্যাগ করেন, তখন তাঁর গাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং যথাযথ পুলিশি প্রটোকলের মাধ্যমে তাকে বিদায় জানানো হয়

আপনার মতামত লিখুন