দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

রংপুরে মুকুলে ছেয়ে গেছে আমগাছ, চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

রংপুরে মুকুলে ছেয়ে গেছে আমগাছ, চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
রংপুরে মুকুলে ছেয়ে গেছে আমগাছ, চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

রংপুরের গংগাচড়া উপজেলাসহ বেশ কিছু উপজেলায়  আমগাছগুলো এখন মুকুলে ভরে উঠেছে। সবুজ পাতার ফাঁকে হলুদাভ মুকুলে ডালপালা ছেয়ে গিয়ে সৃষ্টি করেছে এক মনোরম দৃশ্য। বাতাসে ভাসছে আমের মুকুলের মিষ্টি সুবাস। মধুমাসের আগমনী বার্তা নিয়ে বাগানজুড়ে কিচিরমিচির শব্দে ছোট-বড় পাখির আনাগোনা এবং গুনগুন শব্দে মৌমাছিরা মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছে।

মৌসুমের শুরুতেই অনুকূল আবহাওয়ার কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আমগাছে প্রচুর মুকুল এসেছে। বিশেষ করে বড় ও মাঝারি আকারের গাছে তুলনামূলক বেশি মুকুল দেখা যাচ্ছে।  রংপুর জেলা জুড়ে  প্রায় ২০০০ হেক্টর জমিতে আমবাগান রয়েছে। এছাড়া প্রায় প্রতিটি গ্রামেই বাড়ির আঙিনায় ১ থেকে ২টি কিংবা তারও বেশি আমগাছ রয়েছে।

আরও পড়ুন, শরীয়তপুরে ভেজাল জুস ও এডিবেল জেলির কারখানায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযান, ১ লক্ষ টাকা জরিমানা

উপজেলার আমবাগানগুলোতে রুপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি ও হাঁড়িভাঙা জাতের আম বেশি দেখা যায়। এসব জাতের আম স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও বেশ জনপ্রিয়। এ বছর আগাম মুকুল আসায় আমচাষীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তারা বর্তমানে বাগান পরিচর্যা, ছত্রাকনাশক প্রয়োগ ও অন্যান্য পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

আলমবিদিতর ইউনিয়নের আমবাগানের এক  মালিক জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার গাছে মুকুলের পরিমাণ অনেক বেশি। অনেক চাষী বলেন, বিগত বছরগুলোতে গাছে আম ধরলেও এবার গাছগুলোতে আগের তুলনায় অনেক বেশি মুকুল এসেছে। আমচাষী মিজানুর রহমান বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রংপুর জেলা জুড়ে  এ বছর আমের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে শুধু স্থানীয় অর্থনীতিই নয়, জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

আরও পড়ুন, মাদারীপুরের কালকিনিতে দুইটি ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, আমের মুকুল টিকিয়ে রাখতে সঠিক পরিচর্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি কর্মকর্তারা চাষীদের মুকুলের যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আবহাওয়া হঠাৎ পরিবর্তন হলে মুকুল ঝরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে গাছ রক্ষায় সময়মতো ছত্রাকনাশক প্রয়োগ, গাছের গোড়ায় বাঁধ দিয়ে সেচ দেওয়া এবং নিয়মিত পরিচর্যার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে রংপুর জেলায় আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা

বিষয় : রংপুর ফলন আমগাছ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


রংপুরে মুকুলে ছেয়ে গেছে আমগাছ, চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬

featured Image

রংপুরের গংগাচড়া উপজেলাসহ বেশ কিছু উপজেলায়  আমগাছগুলো এখন মুকুলে ভরে উঠেছে। সবুজ পাতার ফাঁকে হলুদাভ মুকুলে ডালপালা ছেয়ে গিয়ে সৃষ্টি করেছে এক মনোরম দৃশ্য। বাতাসে ভাসছে আমের মুকুলের মিষ্টি সুবাস। মধুমাসের আগমনী বার্তা নিয়ে বাগানজুড়ে কিচিরমিচির শব্দে ছোট-বড় পাখির আনাগোনা এবং গুনগুন শব্দে মৌমাছিরা মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছে।

মৌসুমের শুরুতেই অনুকূল আবহাওয়ার কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আমগাছে প্রচুর মুকুল এসেছে। বিশেষ করে বড় ও মাঝারি আকারের গাছে তুলনামূলক বেশি মুকুল দেখা যাচ্ছে।  রংপুর জেলা জুড়ে  প্রায় ২০০০ হেক্টর জমিতে আমবাগান রয়েছে। এছাড়া প্রায় প্রতিটি গ্রামেই বাড়ির আঙিনায় ১ থেকে ২টি কিংবা তারও বেশি আমগাছ রয়েছে।

আরও পড়ুন, শরীয়তপুরে ভেজাল জুস ও এডিবেল জেলির কারখানায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযান, ১ লক্ষ টাকা জরিমানা

উপজেলার আমবাগানগুলোতে রুপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি ও হাঁড়িভাঙা জাতের আম বেশি দেখা যায়। এসব জাতের আম স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও বেশ জনপ্রিয়। এ বছর আগাম মুকুল আসায় আমচাষীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তারা বর্তমানে বাগান পরিচর্যা, ছত্রাকনাশক প্রয়োগ ও অন্যান্য পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

আলমবিদিতর ইউনিয়নের আমবাগানের এক  মালিক জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার গাছে মুকুলের পরিমাণ অনেক বেশি। অনেক চাষী বলেন, বিগত বছরগুলোতে গাছে আম ধরলেও এবার গাছগুলোতে আগের তুলনায় অনেক বেশি মুকুল এসেছে। আমচাষী মিজানুর রহমান বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রংপুর জেলা জুড়ে  এ বছর আমের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে শুধু স্থানীয় অর্থনীতিই নয়, জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

আরও পড়ুন, মাদারীপুরের কালকিনিতে দুইটি ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, আমের মুকুল টিকিয়ে রাখতে সঠিক পরিচর্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি কর্মকর্তারা চাষীদের মুকুলের যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আবহাওয়া হঠাৎ পরিবর্তন হলে মুকুল ঝরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে গাছ রক্ষায় সময়মতো ছত্রাকনাশক প্রয়োগ, গাছের গোড়ায় বাঁধ দিয়ে সেচ দেওয়া এবং নিয়মিত পরিচর্যার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে রংপুর জেলায় আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত