আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সব নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে তবেই একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন টেকসই হয়।(৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী হলেও তাদের রাষ্ট্র, সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে ঘরে-বাইরে উন্নয়নের পূর্ণ সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশেও জনসংখ্যার একটি বড় অংশ নারী হওয়ায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
আরো পড়ুন , দুই বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা
শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে নারী বিষয়ক দফতর প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় এটি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তরিত হয়।
তিনি আরও বলেন, নারীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন, যা নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। বর্তমান সরকারও নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জোরদার করতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, যার মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উল্লেখযোগ্য।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সব ক্ষেত্রে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়ানো, আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন সহায়তামূলক কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিষয় : নিশ্চিত নারী সুরক্ষা নারী দিবস

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সব নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে তবেই একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন টেকসই হয়।(৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী হলেও তাদের রাষ্ট্র, সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে ঘরে-বাইরে উন্নয়নের পূর্ণ সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশেও জনসংখ্যার একটি বড় অংশ নারী হওয়ায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

আপনার মতামত লিখুন