কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দোকান ভাড়া সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বাজারের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— উপজেলার আল্লারদর্গা সংলগ্ন মিরপুর এলাকার জিন্নাত আলীর ছেলে রুবেল (২৮), বাবু (৪২) ও জামাল (৩৫)। তারা হামলা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আল্লারদর্গা বাজারে একটি দোকান দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন অভিযুক্ত কামাল। তবে তিনি প্রায় সাত মাস ধরে নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ না করে বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। এ নিয়ে দোকান মালিকপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (৪ মার্চ) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কামাল কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, লাঠি ও ধারালো অস্ত্রসহ আল্লারদর্গা বাজারে এসে দোকানে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং উপস্থিত লোকজনকে মারধর করে।
আরও পড়ুন, কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
হামলায় আমজাদ হোসেন (৪৫), মো. টিটু (৪০) ও মো. জাহিদুল ইসলাম (৪১) আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার সময় দোকানের ক্যাশবাক্স থেকে প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা লুট করা হয় এবং দোকানের বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী মো. মাসুদুর রহমান দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর এলাকায় স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে রুবেল, বাবু ও জামালকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দোকান ভাড়া সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বাজারের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— উপজেলার আল্লারদর্গা সংলগ্ন মিরপুর এলাকার জিন্নাত আলীর ছেলে রুবেল (২৮), বাবু (৪২) ও জামাল (৩৫)। তারা হামলা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আল্লারদর্গা বাজারে একটি দোকান দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন অভিযুক্ত কামাল। তবে তিনি প্রায় সাত মাস ধরে নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ না করে বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। এ নিয়ে দোকান মালিকপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (৪ মার্চ) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কামাল কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, লাঠি ও ধারালো অস্ত্রসহ আল্লারদর্গা বাজারে এসে দোকানে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং উপস্থিত লোকজনকে মারধর করে।
আরও পড়ুন, কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
হামলায় আমজাদ হোসেন (৪৫), মো. টিটু (৪০) ও মো. জাহিদুল ইসলাম (৪১) আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার সময় দোকানের ক্যাশবাক্স থেকে প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা লুট করা হয় এবং দোকানের বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী মো. মাসুদুর রহমান দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর এলাকায় স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে রুবেল, বাবু ও জামালকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন