দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ড. ইউনূস যমুনা ছাড়ার সঠিক সময় জানা গেল

ড. ইউনূস যমুনা ছাড়ার সঠিক সময় জানা গেল
নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল ২৭ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ছেড়ে দিচ্ছেন । গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি বর্তমানে যমুনাতেই অবস্থান করছেন।

২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই তিনি হেয়ার রোডের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বসবাস করে আসছিলেন। প্রায় দেড় বছর দায়িত্ব পালনের পর ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সরকারের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন তিনি।

এদিকে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকার গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে রাজধানীর হেয়ার রোডের যমুনাকেই তার সরকারি বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, কিছু সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী যমুনায় উঠবেন।

আরো পড়ুন , নবনিযুক্ত আইজিপি রাজারবাগ স্মৃতিসৌধে জানালেন শ্রদ্ধা

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের জন্য জাতীয় সংসদ ভবন ও শেরেবাংলা নগর এলাকা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। তবে সময়স্বল্পতা ও অন্যান্য কারণে তা আর এগোয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অধ্যাপক ইউনূস তার সরকারের মেয়াদকালেই কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টার পদমর্যাদার মিলিয়ে প্রায় ২০ জন কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন। অধিকাংশই নির্বাচনের আগেই পাসপোর্ট হস্তান্তর করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অধ্যাপক ইউনূসের দীর্ঘদিনের ‘থ্রি জিরো’ ভিশন—শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য কার্বন নিঃসরণ—কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। তবে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়নি।

বিদেশ থেকেও বিভিন্ন সফরের আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। এসব বিষয়ে সমন্বয় করছেন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-এর সাবেক প্রধান সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ। কোথাও তিনি সশরীরে অংশ নেবেন, কোথাও ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন—সেই পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিষয় : ড. ইউনূস অতিথি ভবন গণপূর্ত ড. ইউনূস

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


ড. ইউনূস যমুনা ছাড়ার সঠিক সময় জানা গেল

প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল ২৭ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ছেড়ে দিচ্ছেন । গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি বর্তমানে যমুনাতেই অবস্থান করছেন।

২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই তিনি হেয়ার রোডের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বসবাস করে আসছিলেন। প্রায় দেড় বছর দায়িত্ব পালনের পর ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সরকারের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন তিনি।

এদিকে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকার গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে রাজধানীর হেয়ার রোডের যমুনাকেই তার সরকারি বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, কিছু সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী যমুনায় উঠবেন।


আরো পড়ুন , নবনিযুক্ত আইজিপি রাজারবাগ স্মৃতিসৌধে জানালেন শ্রদ্ধা


অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের জন্য জাতীয় সংসদ ভবন ও শেরেবাংলা নগর এলাকা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। তবে সময়স্বল্পতা ও অন্যান্য কারণে তা আর এগোয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অধ্যাপক ইউনূস তার সরকারের মেয়াদকালেই কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টার পদমর্যাদার মিলিয়ে প্রায় ২০ জন কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন। অধিকাংশই নির্বাচনের আগেই পাসপোর্ট হস্তান্তর করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অধ্যাপক ইউনূসের দীর্ঘদিনের ‘থ্রি জিরো’ ভিশন—শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য কার্বন নিঃসরণ—কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। তবে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়নি।

বিদেশ থেকেও বিভিন্ন সফরের আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। এসব বিষয়ে সমন্বয় করছেন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-এর সাবেক প্রধান সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ। কোথাও তিনি সশরীরে অংশ নেবেন, কোথাও ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন—সেই পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত