বসন্তের আবির্ভাবে গ্রামগঞ্জের আমগাছগুলো সোনালি মুকুলে ছেয়ে গেছে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মিষ্টি সুবাস। মুকুলের গন্ধে মৌমাছির ব্যস্ত আনাগোনা চোখে পড়ছে সর্বত্র। প্রকৃতির এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্যে প্রাণ ফিরে পেয়েছে গ্রামীণ জনপদ। এ বছর ছোট-বড় ও বিভিন্ন জাতের আমগাছে ব্যাপক হারে মুকুল এসেছে। কোনো গাছ পুরোপুরি মুকুলে ভরা, আবার কোনো গাছে নতুন করে মুকুল ফুটছে।
স্থানীয়দের ধারণা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের ফলন ভালো হতে পারে।আমচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা ইতোমধ্যে গাছের পরিচর্যা শুরু করেছেন। মুকুল থেকে গুটি ধরা পর্যন্ত সময়কে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তারা জানান, যাতে মুকুল ঝরে না পড়ে সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সেচের ব্যবস্থা ও রোগবালাই প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চাষিদের আশা, সময়মতো বৃষ্টি হলে গুটি দানা বাঁধতে সুবিধা হবে এবং ফলন বাড়বে। তারা এ বছর বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর আমগাছে ভালো মুকুল এসেছে। তবে সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ জরুরি। কৃষি বিভাগ থেকে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। শুধু আমগাছ নয়, বসন্তের ছোঁয়ায় অন্যান্য ফলজ ও ফুলগাছেও দেখা গেছে ফুলের সমারোহ। ফলে গ্রামাঞ্চলে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
বিষয় : নারায়ণগঞ্জ ফলন

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বসন্তের আবির্ভাবে গ্রামগঞ্জের আমগাছগুলো সোনালি মুকুলে ছেয়ে গেছে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মিষ্টি সুবাস। মুকুলের গন্ধে মৌমাছির ব্যস্ত আনাগোনা চোখে পড়ছে সর্বত্র। প্রকৃতির এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্যে প্রাণ ফিরে পেয়েছে গ্রামীণ জনপদ। এ বছর ছোট-বড় ও বিভিন্ন জাতের আমগাছে ব্যাপক হারে মুকুল এসেছে। কোনো গাছ পুরোপুরি মুকুলে ভরা, আবার কোনো গাছে নতুন করে মুকুল ফুটছে।
স্থানীয়দের ধারণা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের ফলন ভালো হতে পারে।আমচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা ইতোমধ্যে গাছের পরিচর্যা শুরু করেছেন। মুকুল থেকে গুটি ধরা পর্যন্ত সময়কে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তারা জানান, যাতে মুকুল ঝরে না পড়ে সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সেচের ব্যবস্থা ও রোগবালাই প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চাষিদের আশা, সময়মতো বৃষ্টি হলে গুটি দানা বাঁধতে সুবিধা হবে এবং ফলন বাড়বে। তারা এ বছর বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর আমগাছে ভালো মুকুল এসেছে। তবে সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ জরুরি। কৃষি বিভাগ থেকে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। শুধু আমগাছ নয়, বসন্তের ছোঁয়ায় অন্যান্য ফলজ ও ফুলগাছেও দেখা গেছে ফুলের সমারোহ। ফলে গ্রামাঞ্চলে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন