প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবারের আদলে এআই ভিডিও দিয়ে ধোঁকা শনাক্ত করেছে ফ্যাক্টওয়াচ। দেড় লাখের বেশি ফলোয়ারের একটি পেজ পর্যালোচনা করে ফ্যাক্টওয়াচ জানিয়েছে, মানুষকে বোকা বানানোর প্রচেষ্টা করছে তারা। গরিবের-সহায়তা কেন্দ্র’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার স্ত্রী এবং কন্যার চেহারা-সদৃশ ভিডিও ব্যবহার করে বেশ কিছু স্ক্যাম সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওগুলোর ক্যাপশনে, পেজ ফলো করলে ৫ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এসব বিশ্বাস করে কমেন্টবক্সে অনেকে নিজেদের বিকাশ নম্বর দিচ্ছেন।
আরো পড়ুন , তরুণ ভোটারদের জন্য সুখবর ১৬ বছর হলেই এনআইডি দেবে ইসি
ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, ভিডিওগুলো এআই দিয়ে বানানো। দেড় লাখের বেশি ফলোয়ারের এই পেজটি পর্যালোচনা করে এটিকে মানুষ বোকা বানানোর প্রচেষ্টা বলে ধারণা পাওয়া যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এআই ভিডিও তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গে এগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। ফলে সঙ্গত কারণে এই ভিডিওযুক্ত পোস্টগুলোকে বিকৃত হিসেবে সাব্যস্ত করেছে ফ্যাক্টওয়াচ।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ভিডিও, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়ানোর ঘটনা বেড়েছে। ফ্যাক্টওয়াচ সেসব বিষয় নিয়মিতভাবে যাচাই করে সত্য তুলে ধরছে এবং গুজব প্রতিরোধে কাজ করছে।
বিষয় : ভুয়া তথ্য ধোঁকা প্রধানমন্ত্রীর পরিবার

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবারের আদলে এআই ভিডিও দিয়ে ধোঁকা শনাক্ত করেছে ফ্যাক্টওয়াচ। দেড় লাখের বেশি ফলোয়ারের একটি পেজ পর্যালোচনা করে ফ্যাক্টওয়াচ জানিয়েছে, মানুষকে বোকা বানানোর প্রচেষ্টা করছে তারা। গরিবের-সহায়তা কেন্দ্র’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার স্ত্রী এবং কন্যার চেহারা-সদৃশ ভিডিও ব্যবহার করে বেশ কিছু স্ক্যাম সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওগুলোর ক্যাপশনে, পেজ ফলো করলে ৫ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এসব বিশ্বাস করে কমেন্টবক্সে অনেকে নিজেদের বিকাশ নম্বর দিচ্ছেন।
আরো পড়ুন , তরুণ ভোটারদের জন্য সুখবর ১৬ বছর হলেই এনআইডি দেবে ইসি
ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, ভিডিওগুলো এআই দিয়ে বানানো। দেড় লাখের বেশি ফলোয়ারের এই পেজটি পর্যালোচনা করে এটিকে মানুষ বোকা বানানোর প্রচেষ্টা বলে ধারণা পাওয়া যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এআই ভিডিও তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গে এগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। ফলে সঙ্গত কারণে এই ভিডিওযুক্ত পোস্টগুলোকে বিকৃত হিসেবে সাব্যস্ত করেছে ফ্যাক্টওয়াচ।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ভিডিও, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়ানোর ঘটনা বেড়েছে। ফ্যাক্টওয়াচ সেসব বিষয় নিয়মিতভাবে যাচাই করে সত্য তুলে ধরছে এবং গুজব প্রতিরোধে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন