চাকসু'র জিএস সাইদ বিন হাবিব বলেছেন সারা বাংলাদেশে সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরকে প্রিজাইডিং অফিসার দেয়া হলেও মাদ্রাসা শিক্ষকদের এ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ইসি এটা কার নির্দেশে করেছে এর জবাব তাদেরকে দিতে হবে। এছাড়া বিএনসিসি সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে দূরে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। এর পেছনে কার নির্দেশনা রয়েছে, তা স্পষ্ট করতে ইসির প্রতি আহ্বান জানান। ৯ ফেব্রুয়ারী (সোমবার) সকাল ১১টায় কিশোরগঞ্জ আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ১১ দলীয় জুট এর মনোনীত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এর রিকশা প্রতিকের প্রার্থী মুফতি হেদায়াতুল্লাহ হাদী'র গন মিছিল পূর্ব সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তার দাবি, মাঠ পর্যায়ে অধিকাংশ সাংবাদিক আলাদা ক্যামেরা ব্যবহার করেন না; মোবাইল ফোনই তাদের প্রধান তথ্য সংগ্রহের মাধ্যম। একই সঙ্গে সাধারণ নাগরিকও মোবাইলের মাধ্যমে তথ্য ধারণ করেন। এ অবস্থায় মোবাইল নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ব্যাহত করতে পারে কিনা, সে বিষয়ে ইসির ব্যাখ্যা দাবি করেন তিনি। এ সিদ্ধান্ত কার নির্দেশে নেওয়া হয়েছে, সেটিও স্পষ্ট করার আহ্বান জানান।
সমাবেশ শেষে আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতি হেদায়াতুল্লাহ হাদী'র সমর্থনে একটি বিশাল গণ মিছিল বের হয়ে গৌরাঙ্গ বাজার, কালীবাড়ি মোড়, আখরাবাজার, রথখোলা সহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনারথানা এসে শেষ হয়।
আরও পড়ুন, শিবচরে নুরুদ্দিন মোল্লার জনসভায় জনসমুদ্র
এসময় কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ হাদী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মোছাদ্দেক ভূঞা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল মুমিন শেরজাহান, এনসিপির জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্স, সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা নজরুল ইসলাম, সেক্রেটারি বোরহান উদ্দিন সুমনসহ ১১দলীয় জুট এর বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মিছিলে অংশ নেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাকসু'র জিএস সাইদ বিন হাবিব বলেছেন সারা বাংলাদেশে সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরকে প্রিজাইডিং অফিসার দেয়া হলেও মাদ্রাসা শিক্ষকদের এ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ইসি এটা কার নির্দেশে করেছে এর জবাব তাদেরকে দিতে হবে। এছাড়া বিএনসিসি সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে দূরে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। এর পেছনে কার নির্দেশনা রয়েছে, তা স্পষ্ট করতে ইসির প্রতি আহ্বান জানান। ৯ ফেব্রুয়ারী (সোমবার) সকাল ১১টায় কিশোরগঞ্জ আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ১১ দলীয় জুট এর মনোনীত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এর রিকশা প্রতিকের প্রার্থী মুফতি হেদায়াতুল্লাহ হাদী'র গন মিছিল পূর্ব সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তার দাবি, মাঠ পর্যায়ে অধিকাংশ সাংবাদিক আলাদা ক্যামেরা ব্যবহার করেন না; মোবাইল ফোনই তাদের প্রধান তথ্য সংগ্রহের মাধ্যম। একই সঙ্গে সাধারণ নাগরিকও মোবাইলের মাধ্যমে তথ্য ধারণ করেন। এ অবস্থায় মোবাইল নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ব্যাহত করতে পারে কিনা, সে বিষয়ে ইসির ব্যাখ্যা দাবি করেন তিনি। এ সিদ্ধান্ত কার নির্দেশে নেওয়া হয়েছে, সেটিও স্পষ্ট করার আহ্বান জানান।
সমাবেশ শেষে আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতি হেদায়াতুল্লাহ হাদী'র সমর্থনে একটি বিশাল গণ মিছিল বের হয়ে গৌরাঙ্গ বাজার, কালীবাড়ি মোড়, আখরাবাজার, রথখোলা সহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনারথানা এসে শেষ হয়।
আরও পড়ুন, শিবচরে নুরুদ্দিন মোল্লার জনসভায় জনসমুদ্র
এসময় কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ হাদী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মোছাদ্দেক ভূঞা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল মুমিন শেরজাহান, এনসিপির জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্স, সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা নজরুল ইসলাম, সেক্রেটারি বোরহান উদ্দিন সুমনসহ ১১দলীয় জুট এর বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মিছিলে অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন