ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা বিভাগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এই অঞ্চলে নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) খুলনায় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন নিয়ে এ অঞ্চলে কোনো ধরনের আশঙ্কা নেই। নির্বাচন খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। ভোট ও ফলাফল নিয়ে কোনো সংশয়ের সুযোগ নেই।
আরো পড়ুন , নির্বাচন ও গণভোটের সব তথ্য জানতে ডায়াল করুন ৩৩৩
নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোট সাত দিন মাঠে থাকবে। ভোটের আগে চার দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুই দিন।
উপদেষ্টা জানান, এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তায় অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ সংখ্যক বাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এক লাখেরও বেশি সেনা সদস্য, পাঁচ হাজার নৌবাহিনী, চার হাজার কোস্টগার্ড, সাড়ে তিন হাজার নেভি, প্রায় এক লাখ পুলিশ সদস্য, ৩৭ হাজার বিজিবি, ৯ হাজার র্যাব এবং সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে পাঁচ লাখেরও বেশি আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে থাকবে সিসিটিভি, বডি ক্যামেরা, ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন নজরদারি।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা বিভাগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এই অঞ্চলে নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) খুলনায় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন নিয়ে এ অঞ্চলে কোনো ধরনের আশঙ্কা নেই। নির্বাচন খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। ভোট ও ফলাফল নিয়ে কোনো সংশয়ের সুযোগ নেই।
আরো পড়ুন , নির্বাচন ও গণভোটের সব তথ্য জানতে ডায়াল করুন ৩৩৩
নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোট সাত দিন মাঠে থাকবে। ভোটের আগে চার দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুই দিন।

আপনার মতামত লিখুন