দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৫৭ বিজিবির কঠোর অবস্থান

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৫৭ বিজিবির কঠোর অবস্থান
নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৫৭ বিজিবির কঠোর অবস্থান

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়নে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বলে জানিয়েছেন আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বান্দরবানের আলীকদমে ৫৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন ইউনিট সদরে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ব্রিফিংয়ে স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিংয়ে ৫৭ বিজিবি অধিনায়ক বলেন, নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জারি করা সকল আইন, বিধিমালা ও নির্দেশনা বিজিবি কঠোরভাবে অনুসরণ করছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ একটি রাষ্ট্রীয় ও শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনী হিসেবে রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করবে। কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা গোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণের সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, বিজিবির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সকল রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হয়। ভোটাররা যেন নিরাপদ, শান্ত ও ভয়মুক্ত পরিবেশে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্য সামনে রেখে বিজিবি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে।”

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কেন্দ্র দখল, জোরপূর্বক ভোট প্রদান বা নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করার অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না। বিজিবি দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় নিয়মিত টহল, চেকপোস্ট পরিচালনা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি জোরদার করেছে। ৫৭ বিজিবি অধিনায়ক বলেন, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকাগুলোতে যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সেজন্য বিজিবি প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। তবে কোনো অবস্থাতেই ভোটারদের ওপর প্রভাব বিস্তার বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করবে না।

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বলা হয়, প্রার্থী, সমর্থক এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি শতভাগ মেনে চলতে হবে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে বিজিবি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করবে এবং প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করবে। আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় সহিংসতা, অস্ত্র প্রদর্শন, হুমকি প্রদান, সরকারি সুবিধা ব্যবহার, অতিরিক্ত ব্যয় বা প্রলোভন দেখানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া ভোটের দিন ও তার পূর্ববর্তী সময়ে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে সভা-সমাবেশ, মিছিল বা জনসমাগম করা যাবে না।

বিজিবি অধিনায়ক বলেন, প্রার্থীদের উচিত শান্তিপূর্ণ ও শালীন প্রচারণা পরিচালনা করা। কোনো প্রার্থী বা তার কর্মী-সমর্থক যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়, তবে তার দায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে বহন করতে হবে। নির্বাচনী মাঠে প্রতিযোগিতা হবে নীতিনৈতিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে—এটাই প্রত্যাশা। তিনি আরও বলেন, প্রার্থীদের উচিত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা, কোনো অভিযোগ থাকলে তা আইনসম্মত পথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া।

আরও পড়ুন, সি এন্ড বি কলোনী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

ব্রিফিংয়ে গুজব ও অপপ্রচারের বিষয়েও সতর্কতা জারি করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানানো হয়। এ ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণ ও গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

গণমাধ্যমের ভূমিকা

বিজিবি অধিনায়ক গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে গণমাধ্যম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন। সঠিক, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বাড়ায়। বিজিবি গণমাধ্যমকর্মীদের তথ্য সংগ্রহে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।

সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নির্বাচনকালীন সময় বিজিবি স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে বিজিবি।

ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ৫৭ বিজিবি অধিনায়ক পুনর্ব্যক্ত করেন যে, নির্বাচনকে ঘিরে বিজিবির অবস্থান স্পষ্ট—নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আইনানুগ দায়িত্ব পালন। কোনো ধরনের চাপ বা প্রভাব বিজিবির দায়িত্ব পালনে প্রভাব ফেলবে না।

বিষয় : বিজিবি নিরপেক্ষতা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৫৭ বিজিবির কঠোর অবস্থান

প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়নে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বলে জানিয়েছেন আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বান্দরবানের আলীকদমে ৫৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন ইউনিট সদরে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ব্রিফিংয়ে স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিংয়ে ৫৭ বিজিবি অধিনায়ক বলেন, নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জারি করা সকল আইন, বিধিমালা ও নির্দেশনা বিজিবি কঠোরভাবে অনুসরণ করছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ একটি রাষ্ট্রীয় ও শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনী হিসেবে রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করবে। কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা গোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণের সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, বিজিবির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সকল রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হয়। ভোটাররা যেন নিরাপদ, শান্ত ও ভয়মুক্ত পরিবেশে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্য সামনে রেখে বিজিবি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে।”

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কেন্দ্র দখল, জোরপূর্বক ভোট প্রদান বা নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করার অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না। বিজিবি দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় নিয়মিত টহল, চেকপোস্ট পরিচালনা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি জোরদার করেছে। ৫৭ বিজিবি অধিনায়ক বলেন, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকাগুলোতে যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সেজন্য বিজিবি প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। তবে কোনো অবস্থাতেই ভোটারদের ওপর প্রভাব বিস্তার বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করবে না।

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বলা হয়, প্রার্থী, সমর্থক এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি শতভাগ মেনে চলতে হবে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে বিজিবি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করবে এবং প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করবে। আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় সহিংসতা, অস্ত্র প্রদর্শন, হুমকি প্রদান, সরকারি সুবিধা ব্যবহার, অতিরিক্ত ব্যয় বা প্রলোভন দেখানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া ভোটের দিন ও তার পূর্ববর্তী সময়ে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে সভা-সমাবেশ, মিছিল বা জনসমাগম করা যাবে না।

বিজিবি অধিনায়ক বলেন, প্রার্থীদের উচিত শান্তিপূর্ণ ও শালীন প্রচারণা পরিচালনা করা। কোনো প্রার্থী বা তার কর্মী-সমর্থক যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়, তবে তার দায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে বহন করতে হবে। নির্বাচনী মাঠে প্রতিযোগিতা হবে নীতিনৈতিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে—এটাই প্রত্যাশা। তিনি আরও বলেন, প্রার্থীদের উচিত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা, কোনো অভিযোগ থাকলে তা আইনসম্মত পথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া।

আরও পড়ুন, সি এন্ড বি কলোনী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

ব্রিফিংয়ে গুজব ও অপপ্রচারের বিষয়েও সতর্কতা জারি করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানানো হয়। এ ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণ ও গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

গণমাধ্যমের ভূমিকা

বিজিবি অধিনায়ক গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে গণমাধ্যম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন। সঠিক, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বাড়ায়। বিজিবি গণমাধ্যমকর্মীদের তথ্য সংগ্রহে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।

সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নির্বাচনকালীন সময় বিজিবি স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে বিজিবি।

ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ৫৭ বিজিবি অধিনায়ক পুনর্ব্যক্ত করেন যে, নির্বাচনকে ঘিরে বিজিবির অবস্থান স্পষ্ট—নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আইনানুগ দায়িত্ব পালন। কোনো ধরনের চাপ বা প্রভাব বিজিবির দায়িত্ব পালনে প্রভাব ফেলবে না।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত