আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) বাহরুল আলম।পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব ইন্টেগ্রিটি-তে ২০০৮ সালে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত এবং সম্প্রতি যোগদানকারী ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের এএসপি প্রবেশনারদের উদ্দেশে বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
আরো পড়ুন , বেসামরিক কাজের আশ্বাসে ইউক্রেন যুদ্ধে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশিদের
আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বাহিনীর সদস্যদের মনোবল চাঙা করা এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে নিরলস কাজ চলছে।এএসপি প্রবেশনারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের এ সাফল্য কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি আপনাদের ন্যায্য অবস্থানের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয় দীর্ঘদিনের বঞ্চনার দ্বার খুলে দিয়েছে এবং আপনারা আপনাদের বৈধ অধিকার পুনরুদ্ধার করেছেন।’
পুলিশ প্রধান কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘আপনাদের পূর্বতন কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাই পেশাগত দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে। বর্তমান বাস্তবতায় কেবল শারীরিক শক্তি বা প্রথাগত পদ্ধতিতে পুলিশিং করলে হবে না; এখন প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তা, বৈশ্বিক সচেতনতা এবং প্রযুক্তিগত অভিযোজন সক্ষমতা। সাইবার অপরাধ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমত গড়ে ওঠার এই সময়ে পুলিশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে সততা ও পেশাদারিত্ব ডিজিটাল পরিসরেও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান তিনি।
বিষয় : আইজিপি নিশ্চিত পেশাদারিত্ব

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) বাহরুল আলম।পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব ইন্টেগ্রিটি-তে ২০০৮ সালে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত এবং সম্প্রতি যোগদানকারী ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের এএসপি প্রবেশনারদের উদ্দেশে বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
আরো পড়ুন , বেসামরিক কাজের আশ্বাসে ইউক্রেন যুদ্ধে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশিদের
আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বাহিনীর সদস্যদের মনোবল চাঙা করা এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে নিরলস কাজ চলছে।এএসপি প্রবেশনারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের এ সাফল্য কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি আপনাদের ন্যায্য অবস্থানের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয় দীর্ঘদিনের বঞ্চনার দ্বার খুলে দিয়েছে এবং আপনারা আপনাদের বৈধ অধিকার পুনরুদ্ধার করেছেন।’
পুলিশ প্রধান কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘আপনাদের পূর্বতন কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাই পেশাগত দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে। বর্তমান বাস্তবতায় কেবল শারীরিক শক্তি বা প্রথাগত পদ্ধতিতে পুলিশিং করলে হবে না; এখন প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তা, বৈশ্বিক সচেতনতা এবং প্রযুক্তিগত অভিযোজন সক্ষমতা। সাইবার অপরাধ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমত গড়ে ওঠার এই সময়ে পুলিশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে সততা ও পেশাদারিত্ব ডিজিটাল পরিসরেও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন