গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে সেবা বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের রোগীরা। অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের কতিপয় অসাধু ব্যক্তি এবং বহিরাগত দালালরা গোপন চুক্তির মাধ্যমে রোগীদের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, ফলে সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
এলাকাবাসী জানান, চিকিৎসা ব্যয় কম হওয়ায় দরিদ্র মানুষ সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু হাসপাতালের ভেতরের কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে রোগীদের ভুল বুঝিয়ে বাইরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হচ্ছে। এতে তাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। স্থানীয়রা আরও জানান, আগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাত্র ৫০ টাকায় রক্ত পরীক্ষা করা যেত। কিন্তু রক্ত পরীক্ষার মেশিনটিও দীর্ঘদিন ধরে বিকল থাকায় এখন বাধ্য হয়ে বাইরে ৪০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। গত ২৫ জানুয়ারি পলাশবাড়ী উপজেলার মহাদিপুর ইউনিয়নের পার্বতীপুর গ্রামের জুয়েল মিয়ার কন্যা জুই বেগম চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্স খলিলুর রহমান তাকে পলাশবাড়ীর ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষার জন্য নিয়ে যান।
আরও পড়ুন, নেত্রকোণায় দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
এ সময় রোগীর এক সচেতন আত্মীয় প্রশ্ন তুললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়ে পড়েন বলে দাবি করেন স্বজনরা। এ বিষয়ে ২৬ জানুয়ারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (পিপিএম) ডা. মো. সালাউদ্দিন আহম্মেদ খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “প্রায় এক থেকে দেড় মাস আগে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ তার চুরি হয়ে যায়। এ কারণে মেশিনটি বন্ধ রয়েছে।” তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে এবং দায়িত্বে থাকা নাইট গার্ডকে শোকজ করা হয়েছে।
এদিকে সেবা বঞ্চিত রোগী ও এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত ডিজিটাল এক্স-রে ও অন্যান্য পরীক্ষা সেবা চালুর পাশাপাশি বহিরাগত দালাল মুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে সেবা বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের রোগীরা। অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের কতিপয় অসাধু ব্যক্তি এবং বহিরাগত দালালরা গোপন চুক্তির মাধ্যমে রোগীদের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, ফলে সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
এলাকাবাসী জানান, চিকিৎসা ব্যয় কম হওয়ায় দরিদ্র মানুষ সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু হাসপাতালের ভেতরের কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে রোগীদের ভুল বুঝিয়ে বাইরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হচ্ছে। এতে তাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। স্থানীয়রা আরও জানান, আগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাত্র ৫০ টাকায় রক্ত পরীক্ষা করা যেত। কিন্তু রক্ত পরীক্ষার মেশিনটিও দীর্ঘদিন ধরে বিকল থাকায় এখন বাধ্য হয়ে বাইরে ৪০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। গত ২৫ জানুয়ারি পলাশবাড়ী উপজেলার মহাদিপুর ইউনিয়নের পার্বতীপুর গ্রামের জুয়েল মিয়ার কন্যা জুই বেগম চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্স খলিলুর রহমান তাকে পলাশবাড়ীর ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষার জন্য নিয়ে যান।
আরও পড়ুন, নেত্রকোণায় দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
এ সময় রোগীর এক সচেতন আত্মীয় প্রশ্ন তুললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়ে পড়েন বলে দাবি করেন স্বজনরা। এ বিষয়ে ২৬ জানুয়ারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (পিপিএম) ডা. মো. সালাউদ্দিন আহম্মেদ খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “প্রায় এক থেকে দেড় মাস আগে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ তার চুরি হয়ে যায়। এ কারণে মেশিনটি বন্ধ রয়েছে।” তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে এবং দায়িত্বে থাকা নাইট গার্ডকে শোকজ করা হয়েছে।
এদিকে সেবা বঞ্চিত রোগী ও এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত ডিজিটাল এক্স-রে ও অন্যান্য পরীক্ষা সেবা চালুর পাশাপাশি বহিরাগত দালাল মুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন