দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

উদ্বোধনের পরই বন্ধ সরই ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালের সেবাবঞ্চিত হাজরো মা ও শিশুরা

উদ্বোধনের পরই বন্ধ সরই ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালের সেবাবঞ্চিত হাজরো মা ও শিশুরা
উদ্বোধনের পরই বন্ধ সরই ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালের সেবাবঞ্চিত হাজরো মা ও শিশুরা

বান্দরবানের সরই এলাকায় স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের আশায় নির্মিত ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরও আজ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্য চালু হয়নি। উদ্বোধনের কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও চিকিৎসাসেবা শুরু না হওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। বিশেষ করে মা ও শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই হাসপাতালটি বন্ধ থাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন এলাকার হাজারো মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতাল ভবনটি এখন নীরব ও প্রাণহীন। চারপাশে আগাছা, ভেতরে ধুলাবালির স্তূপ। কোথাও জানালার কাচ ভাঙা, কোথাও দরজার পাল্লা নষ্ট। অথচ একসময় এই হাসপাতাল ঘিরেই স্থানীয় মানুষের আশা ছিল এখানেই মিলবে নিরাপদ প্রসবসেবা, নবজাতকের চিকিৎসা, মা ও শিশুর জরুরি স্বাস্থ্যসেবা। উদ্বোধন হয়েছিল জাঁকজমকপূর্ণভাবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে সরকারের স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সরই এলাকায় এই ১০ শয্যার মা ও শিশু হাসপাতালটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। ভবন নির্মাণ শেষে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ব্যানার, ফেস্টুন আর বক্তৃতায় উঠে আসে মা ও শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি।

কিন্তু উদ্বোধনের পর হাসপাতালটির কার্যক্রম আর এগোয়নি। চিকিৎসক, নার্স, ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ না হওয়ায় হাসপাতালটি আজও কার্যক্রম অচল। তালাবদ্ধ ভবন, অথচ চারপাশে চিকিৎসার জন্য সাধারণ মানুষ হাহাকার। সরই এলাকা বান্দরবানের একটি দুর্গম জনপদ। এখানকার মানুষের বড় একটি অংশ কৃষি ও দিনমজুরির সঙ্গে যুক্ত। আর্থিক সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় দূরের হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া অনেকের পক্ষেই কঠিন। বিশেষ করে প্রসূতি নারী ও নবজাতকদের ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়া মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মা ও শিশুর চিকিৎসার জন্য এখনো তাদের ২০ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরের উপজেলা বা জেলা সদর হাসপাতালে যেতে হয়। দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা, যানবাহনের সংকট আর আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অনেক সময় হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হয়। এতে প্রসবকালীন জটিলতা ও নবজাতকের অসুস্থতার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

সরই বাজার এলাকার বাসিন্দা আবদুল কাদের বলেন, হাসপাতালটা চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দরজা বন্ধ। এটা আমাদের জন্য সবচেয়ে কষ্টের। অসুস্থ হলে শুধু দূরে ছুটতে হয়। প্রসবের ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা সরই এলাকার বাসিন্দা ২২ বছর বয়সী গৃহবধূ রুমা আক্তারের অভিজ্ঞতা এই বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। গত মাসে গভীর রাতে তাঁর প্রসবব্যথা শুরু হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলেও এলাকার হাসপাতালটি বন্ধ থাকায় পরিবারকে সিদ্ধান্ত নিতে হয় জেলা সদরে যাওয়ার।

রুমা আক্তার বলেন, রাতে হঠাৎ খুব ব্যথা উঠল। সবাই ভয় পেয়ে গেল। হাসপাতালে যেতে হবে, কিন্তু এখানকার হাসপাতাল তো বন্ধ। তারপর আমাকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরের উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাস্তায় যেতে যেতে মনে হচ্ছিল আমি বাঁচব তো? যদি এই হাসপাতালটা খোলা থাকত, এত কষ্ট হতো না। শেষ পর্যন্ত নিরাপদে সন্তান জন্ম দিলেও সেই যাত্রা তাঁর কাছে ছিল ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। তবে দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় হাসপাতাল ভবনটি এখন ক্ষতির মুখে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত তদারকির অভাবে ভবনের বিভিন্ন অংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ভেতরের কক্ষগুলো পরিষ্কার না থাকায় সেখানে সাপ, ইঁদুরসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রাণীর আশঙ্কাও করছেন অনেকে।

আরও পড়ুন, ফুলবাড়িয়ায় দিনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিকিৎসা রাতে মাদকসেবীদের আড্ডা

একজন স্থানীয় শিক্ষক বলেন, সরকার কোটি টাকা খরচ করে হাসপাতাল বানাল, উদ্বোধন করল। এখন যদি এভাবে ফেলে রাখা হয়, তাহলে এটা জনগণের সঙ্গে মানবতাহীন ছাড়া কিছু নয়। এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, হাসপাতালটি চালুর দাবিতে তাঁরা একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তবে জনবল সংকট ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এখনো কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।

একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,আমরাও চাই হাসপাতালটি দ্রুত চালু হোক। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স না থাকায় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে এখনো অনুমোদন আসেনি। বিষয়টি বারবার জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চিকিৎসক ও নার্স সংকট একটি বড় সমস্যা। নতুন হাসপাতাল চালু করতে হলে নির্দিষ্ট সংখ্যক জনবল নিয়োগ ও সরঞ্জাম নিশ্চিত করতে হয়। সরই হাসপাতালের ক্ষেত্রেও সেই প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, উদ্বোধনের আগেই কেন এই প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি?

এলাকাবাসীর একটাই দাবি দ্রুত সরই ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালটি চালু করা হোক। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিয়ে নিয়মিত সেবা কার্যক্রম শুরু করা হলে এলাকার মা ও শিশুরা উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন তাঁরা।

বিষয় : উদ্বোধন হাসপাতাল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


উদ্বোধনের পরই বন্ধ সরই ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালের সেবাবঞ্চিত হাজরো মা ও শিশুরা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

বান্দরবানের সরই এলাকায় স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের আশায় নির্মিত ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরও আজ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্য চালু হয়নি। উদ্বোধনের কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও চিকিৎসাসেবা শুরু না হওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। বিশেষ করে মা ও শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই হাসপাতালটি বন্ধ থাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন এলাকার হাজারো মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতাল ভবনটি এখন নীরব ও প্রাণহীন। চারপাশে আগাছা, ভেতরে ধুলাবালির স্তূপ। কোথাও জানালার কাচ ভাঙা, কোথাও দরজার পাল্লা নষ্ট। অথচ একসময় এই হাসপাতাল ঘিরেই স্থানীয় মানুষের আশা ছিল এখানেই মিলবে নিরাপদ প্রসবসেবা, নবজাতকের চিকিৎসা, মা ও শিশুর জরুরি স্বাস্থ্যসেবা। উদ্বোধন হয়েছিল জাঁকজমকপূর্ণভাবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে সরকারের স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সরই এলাকায় এই ১০ শয্যার মা ও শিশু হাসপাতালটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। ভবন নির্মাণ শেষে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ব্যানার, ফেস্টুন আর বক্তৃতায় উঠে আসে মা ও শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি।

কিন্তু উদ্বোধনের পর হাসপাতালটির কার্যক্রম আর এগোয়নি। চিকিৎসক, নার্স, ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ না হওয়ায় হাসপাতালটি আজও কার্যক্রম অচল। তালাবদ্ধ ভবন, অথচ চারপাশে চিকিৎসার জন্য সাধারণ মানুষ হাহাকার। সরই এলাকা বান্দরবানের একটি দুর্গম জনপদ। এখানকার মানুষের বড় একটি অংশ কৃষি ও দিনমজুরির সঙ্গে যুক্ত। আর্থিক সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় দূরের হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া অনেকের পক্ষেই কঠিন। বিশেষ করে প্রসূতি নারী ও নবজাতকদের ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়া মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মা ও শিশুর চিকিৎসার জন্য এখনো তাদের ২০ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরের উপজেলা বা জেলা সদর হাসপাতালে যেতে হয়। দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা, যানবাহনের সংকট আর আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অনেক সময় হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হয়। এতে প্রসবকালীন জটিলতা ও নবজাতকের অসুস্থতার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

সরই বাজার এলাকার বাসিন্দা আবদুল কাদের বলেন, হাসপাতালটা চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দরজা বন্ধ। এটা আমাদের জন্য সবচেয়ে কষ্টের। অসুস্থ হলে শুধু দূরে ছুটতে হয়। প্রসবের ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা সরই এলাকার বাসিন্দা ২২ বছর বয়সী গৃহবধূ রুমা আক্তারের অভিজ্ঞতা এই বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। গত মাসে গভীর রাতে তাঁর প্রসবব্যথা শুরু হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলেও এলাকার হাসপাতালটি বন্ধ থাকায় পরিবারকে সিদ্ধান্ত নিতে হয় জেলা সদরে যাওয়ার।

রুমা আক্তার বলেন, রাতে হঠাৎ খুব ব্যথা উঠল। সবাই ভয় পেয়ে গেল। হাসপাতালে যেতে হবে, কিন্তু এখানকার হাসপাতাল তো বন্ধ। তারপর আমাকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরের উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাস্তায় যেতে যেতে মনে হচ্ছিল আমি বাঁচব তো? যদি এই হাসপাতালটা খোলা থাকত, এত কষ্ট হতো না। শেষ পর্যন্ত নিরাপদে সন্তান জন্ম দিলেও সেই যাত্রা তাঁর কাছে ছিল ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। তবে দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় হাসপাতাল ভবনটি এখন ক্ষতির মুখে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত তদারকির অভাবে ভবনের বিভিন্ন অংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ভেতরের কক্ষগুলো পরিষ্কার না থাকায় সেখানে সাপ, ইঁদুরসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রাণীর আশঙ্কাও করছেন অনেকে।

আরও পড়ুন, ফুলবাড়িয়ায় দিনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিকিৎসা রাতে মাদকসেবীদের আড্ডা

একজন স্থানীয় শিক্ষক বলেন, সরকার কোটি টাকা খরচ করে হাসপাতাল বানাল, উদ্বোধন করল। এখন যদি এভাবে ফেলে রাখা হয়, তাহলে এটা জনগণের সঙ্গে মানবতাহীন ছাড়া কিছু নয়। এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, হাসপাতালটি চালুর দাবিতে তাঁরা একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তবে জনবল সংকট ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এখনো কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।

একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,আমরাও চাই হাসপাতালটি দ্রুত চালু হোক। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স না থাকায় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে এখনো অনুমোদন আসেনি। বিষয়টি বারবার জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চিকিৎসক ও নার্স সংকট একটি বড় সমস্যা। নতুন হাসপাতাল চালু করতে হলে নির্দিষ্ট সংখ্যক জনবল নিয়োগ ও সরঞ্জাম নিশ্চিত করতে হয়। সরই হাসপাতালের ক্ষেত্রেও সেই প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, উদ্বোধনের আগেই কেন এই প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি?

এলাকাবাসীর একটাই দাবি দ্রুত সরই ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালটি চালু করা হোক। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিয়ে নিয়মিত সেবা কার্যক্রম শুরু করা হলে এলাকার মা ও শিশুরা উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন তাঁরা।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত