নাটোরের লালপুরে বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে এখন চোখে পরছে সরিষা ফুলের হলুদ বাগিচা। শীতের নরম রোদে দুলছে সরিষার ফুল। সেই সাথে ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মাছিরা ফুলে ফুলে ছুটেছে মধু সংগ্রহ করতে। ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরাও। সয়াবিন সহ তেল বীজের বাজারে ঊর্ধ্বগতি। বাড়তি উৎপাদন খরচ ও বাজারের অনিশ্চয়তা বাস্তবতার বিকল্প খুঁজতে গিয়ে এই অঞ্চলের ক্রমেই ঝুকছেন সরিষা চাষে। কম খরচে তুলনা মূলক ভালো ফলন স্বল্প সময়ে তোলার সুবিধা এবং খোল সহ সব মিলিয়ে সরিষা হয়ে উঠছে কৃষকদের জন্য সম্ভাবনাময়ী এক অর্থকারী ফসল।
লালপুরের এক আড়তদার বলেনমৌসুমীর শুরুতে ভেজা সরিষা ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা মণের মধ্যে থাকতে পারে। তবে একসঙ্গে বেশি সরিষা বাজারে এলে কিছুটা দাম কম থাকতে পারে। শুকনা ও মানসম্মত সরিষা হলে তুলনামূলক ভাবে দাম পাওয়া যাবে। উপজেলার গোপালপুর পৌরসভা অধীনস্থ কালুপাড়া গ্রামের কৃষক বাবু জানান, প্রতি বিঘা জমিতে ৬ থেকে ৮ মণ সরিষা হলে ভালো দাম ও তেলে লাভবান হাওয়া সম্ভব, এর কম হলে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। কারণ বীজ ও কীটনাশক এবং প্রাথমিক খরচ আগের তুলনাই বেড়েছে।
কৃষকদের মতে সরিষা শুধু অর্থ কারী ফসল নয় মাটির উর্বরতা বজায় রাখে। শুকনা মানসম্মত সরিষা হলে তুলনামূলকভাবে ভালো দাম পাওয়া যায়। ব্যবসিক জানান, সরিষা পরিষ্কার ও ভালোভাবে শুকানো সরিষা হলে আমরা ভালো দামে ক্রয় করব। মান বজায রাখা গেলে বাজারে অস্থিরতা কমবে। স্থানীয় ব্যবসিকদের মতে সরকারি সংগ্রহ কার্যক্রম থাকলে বাজারে আরো স্থিতিশীল থাকে। এক ব্যবসায়ী
আরও পড়ুন, শ্রীপুরে দায়িত্ব পালনকালেই নিরাপত্তাকর্মীর চিরবিদায়-পৌরসভার ময়লার গাড়ির চাপায় ঝরল প্রাণ
বলেন, সরকারি সংগ্রহ না থাকলে মধ্যম শ্রেনীর কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হবে।একজন কৃষক জানান আশা ও সম্ভাবনাময় ফসল বাজার ওঠার আগে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কৃষি যে মূল্য নিশ্চিত করা সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিলে এ অঞ্চলে সরিষা চাষে কৃষকদের টেক সই একটা শক্ত ভিত্তি পরিণত হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, অত্র।। উপজেলায় ৬১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে।কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
নাটোরের লালপুরে বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে এখন চোখে পরছে সরিষা ফুলের হলুদ বাগিচা। শীতের নরম রোদে দুলছে সরিষার ফুল। সেই সাথে ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মাছিরা ফুলে ফুলে ছুটেছে মধু সংগ্রহ করতে। ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরাও। সয়াবিন সহ তেল বীজের বাজারে ঊর্ধ্বগতি। বাড়তি উৎপাদন খরচ ও বাজারের অনিশ্চয়তা বাস্তবতার বিকল্প খুঁজতে গিয়ে এই অঞ্চলের ক্রমেই ঝুকছেন সরিষা চাষে। কম খরচে তুলনা মূলক ভালো ফলন স্বল্প সময়ে তোলার সুবিধা এবং খোল সহ সব মিলিয়ে সরিষা হয়ে উঠছে কৃষকদের জন্য সম্ভাবনাময়ী এক অর্থকারী ফসল।
লালপুরের এক আড়তদার বলেনমৌসুমীর শুরুতে ভেজা সরিষা ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা মণের মধ্যে থাকতে পারে। তবে একসঙ্গে বেশি সরিষা বাজারে এলে কিছুটা দাম কম থাকতে পারে। শুকনা ও মানসম্মত সরিষা হলে তুলনামূলক ভাবে দাম পাওয়া যাবে। উপজেলার গোপালপুর পৌরসভা অধীনস্থ কালুপাড়া গ্রামের কৃষক বাবু জানান, প্রতি বিঘা জমিতে ৬ থেকে ৮ মণ সরিষা হলে ভালো দাম ও তেলে লাভবান হাওয়া সম্ভব, এর কম হলে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। কারণ বীজ ও কীটনাশক এবং প্রাথমিক খরচ আগের তুলনাই বেড়েছে।
কৃষকদের মতে সরিষা শুধু অর্থ কারী ফসল নয় মাটির উর্বরতা বজায় রাখে। শুকনা মানসম্মত সরিষা হলে তুলনামূলকভাবে ভালো দাম পাওয়া যায়। ব্যবসিক জানান, সরিষা পরিষ্কার ও ভালোভাবে শুকানো সরিষা হলে আমরা ভালো দামে ক্রয় করব। মান বজায রাখা গেলে বাজারে অস্থিরতা কমবে। স্থানীয় ব্যবসিকদের মতে সরকারি সংগ্রহ কার্যক্রম থাকলে বাজারে আরো স্থিতিশীল থাকে। এক ব্যবসায়ী
আরও পড়ুন, শ্রীপুরে দায়িত্ব পালনকালেই নিরাপত্তাকর্মীর চিরবিদায়-পৌরসভার ময়লার গাড়ির চাপায় ঝরল প্রাণ
বলেন, সরকারি সংগ্রহ না থাকলে মধ্যম শ্রেনীর কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হবে।একজন কৃষক জানান আশা ও সম্ভাবনাময় ফসল বাজার ওঠার আগে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কৃষি যে মূল্য নিশ্চিত করা সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিলে এ অঞ্চলে সরিষা চাষে কৃষকদের টেক সই একটা শক্ত ভিত্তি পরিণত হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, অত্র।। উপজেলায় ৬১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে।কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন