নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত দুদকের ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ টিম এই অভিযান চালায়।
দুদকের ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সারোয়ার হোসেন, উপ-সহকারী পরিচালক সাহাদাত হোসেন ও মো. রেজওয়ান আহমেদের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই তল্লাশিতে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ে।রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবারে ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া গেছে। মেনু অনুযায়ী খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ওষুধ সরবরাহের ক্ষেত্রেও গরমিলের প্রমাণ মিলেছে।হাসপাতালের বিভিন্ন কেনাকাটা ও খরচের ক্ষেত্রে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরির প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুদক। নির্ধারিত ডিউটির সময়ে অনেক স্টাফকে হাসপাতালে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের চারপাশ ও ভেতরে দুর্গন্ধযুক্ত ও নোংরা পরিবেশ দেখা গেছে, যা স্বাস্থ্যসেবার জন্য অনুপযোগী।
আরও পড়ুন, শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট রহমতুল বারীর নামে বগুড়ায় সড়ক
অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সারোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, "অনিয়ম ও দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা আজ হাসপাতালে অবস্থান করি। খাবারের মান, টিকিট জালিয়াতি এবং ভুয়া ভাউচারসহ বিভিন্ন অনিয়ম আমাদের নজরে এসেছে। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে বিস্তারিত অবহিত করেছি।" তিনি আরও জানান, অভিযানের সমস্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। উক্ত প্রতিবেদন দ্রুতই দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত দুদকের ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ টিম এই অভিযান চালায়।
দুদকের ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সারোয়ার হোসেন, উপ-সহকারী পরিচালক সাহাদাত হোসেন ও মো. রেজওয়ান আহমেদের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই তল্লাশিতে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ে।রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবারে ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া গেছে। মেনু অনুযায়ী খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ওষুধ সরবরাহের ক্ষেত্রেও গরমিলের প্রমাণ মিলেছে।হাসপাতালের বিভিন্ন কেনাকাটা ও খরচের ক্ষেত্রে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরির প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুদক। নির্ধারিত ডিউটির সময়ে অনেক স্টাফকে হাসপাতালে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের চারপাশ ও ভেতরে দুর্গন্ধযুক্ত ও নোংরা পরিবেশ দেখা গেছে, যা স্বাস্থ্যসেবার জন্য অনুপযোগী।
আরও পড়ুন, শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট রহমতুল বারীর নামে বগুড়ায় সড়ক
অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সারোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, "অনিয়ম ও দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা আজ হাসপাতালে অবস্থান করি। খাবারের মান, টিকিট জালিয়াতি এবং ভুয়া ভাউচারসহ বিভিন্ন অনিয়ম আমাদের নজরে এসেছে। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে বিস্তারিত অবহিত করেছি।" তিনি আরও জানান, অভিযানের সমস্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। উক্ত প্রতিবেদন দ্রুতই দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন