দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬

সিন্ডিকেটের হাতের মধ্যে ওষুধের বাজার

সিন্ডিকেটের হাতের মধ্যে ওষুধের বাজার
ওষুধ সরকারের নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে না

সিদ্ধান্তের তিন সপ্তাহ পরও বাজারে এসব ওষুধ সরকারের নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে না। দোকানে গেলে প্রথমেই বলা হচ্ছে, ওষুধটি নেই। তার পর যখন ক্রেতা অনুরোধ করছেন তখন আগের দামে ওষুধ কিনতে আগ্রহী হলে দিতে পারবেন বলে জানাচ্ছেন বিক্রেতা। একজন ভুক্তভোগী বললেন, সরকার কেবল ওষুধের দাম নির্ধারণ করেই দায়িত্ব শেষ করেছে। কিন্তু নির্ধারিত দামে বাজারে ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কি না তা মনিটরিং করছে না। ফলে, সরকারের সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েনি বাজারে। সিন্ডিকেটের কারণে বাজার থেকেই উধাও হয়ে যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধ। 

এতে সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতে নাভিশ্বাস উঠছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, দেশে ওষুধের বাজারে গত কয়েক মাসে তিন দফায় মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। কোনো কোনো ওষুধের মূল্য বেড়েছে দ্বিগুণ। আবার দেখা যাচ্ছে, কোনো কোনোটা বেড়েছে আরও বেশি। এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় খাবারের চেয়ে চিকিৎসা ব্যয় দ্বিগুণ ছাড়িয়ে কয়েক গুণ বেড়েছে। এভাবে ওষুধবাণিজ্যেও অদৃশ্য সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের হাতে বন্দি হচ্ছে।

আরো পড়ুন , ভোটের আগে ও পরে ১২ দিন নিরাপত্তা মাঠে থাকবে যৌথ বাহিনী

 বাংলাদেশে মূলত ছয়টি প্রতিষ্ঠান আছে, যারা সবচেয়ে বেশি ওষুধ উৎপাদন করে। এ ছয়টি কোম্পানির কাছে জিম্মি জনগণ। এ প্রতিষ্ঠানগুলো যখন যেভাবে পারছে ওষুধের দাম নির্ধারণ করছে। তাদের নির্ধারিত মূল্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিলেই বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। পাওয়া যাচ্ছে না অতি জরুরি ওষুধ। ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে ছয় কোম্পানির এ সিন্ডিকেট।

এ তো গেল বৈধ ওষুধ প্রসঙ্গ। বাংলাদেশের জনগণের জন্য একেই তো ওষুধের দাম লাগামহীন, তার ওপর ভেজাল ওষুধে সয়লাব বাজার। ঢাকায় পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হলেও মফস্বলের বাজার ভেজাল ওষুধে সয়লাব। ভেজাল ও নকল ওষুধ বিক্রিতেও গড়ে উঠেছে ভয়ংকর সিন্ডিকেট।

বিষয় : সিন্ডিকেট ওষুধ নির্ধারিত নির্ধারিত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


সিন্ডিকেটের হাতের মধ্যে ওষুধের বাজার

প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

সিদ্ধান্তের তিন সপ্তাহ পরও বাজারে এসব ওষুধ সরকারের নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে না। দোকানে গেলে প্রথমেই বলা হচ্ছে, ওষুধটি নেই। তার পর যখন ক্রেতা অনুরোধ করছেন তখন আগের দামে ওষুধ কিনতে আগ্রহী হলে দিতে পারবেন বলে জানাচ্ছেন বিক্রেতা। একজন ভুক্তভোগী বললেন, সরকার কেবল ওষুধের দাম নির্ধারণ করেই দায়িত্ব শেষ করেছে। কিন্তু নির্ধারিত দামে বাজারে ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কি না তা মনিটরিং করছে না। ফলে, সরকারের সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েনি বাজারে। সিন্ডিকেটের কারণে বাজার থেকেই উধাও হয়ে যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধ। 

এতে সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতে নাভিশ্বাস উঠছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, দেশে ওষুধের বাজারে গত কয়েক মাসে তিন দফায় মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। কোনো কোনো ওষুধের মূল্য বেড়েছে দ্বিগুণ। আবার দেখা যাচ্ছে, কোনো কোনোটা বেড়েছে আরও বেশি। এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় খাবারের চেয়ে চিকিৎসা ব্যয় দ্বিগুণ ছাড়িয়ে কয়েক গুণ বেড়েছে। এভাবে ওষুধবাণিজ্যেও অদৃশ্য সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের হাতে বন্দি হচ্ছে।

আরো পড়ুন , ভোটের আগে ও পরে ১২ দিন নিরাপত্তা মাঠে থাকবে যৌথ বাহিনী

 বাংলাদেশে মূলত ছয়টি প্রতিষ্ঠান আছে, যারা সবচেয়ে বেশি ওষুধ উৎপাদন করে। এ ছয়টি কোম্পানির কাছে জিম্মি জনগণ। এ প্রতিষ্ঠানগুলো যখন যেভাবে পারছে ওষুধের দাম নির্ধারণ করছে। তাদের নির্ধারিত মূল্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিলেই বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। পাওয়া যাচ্ছে না অতি জরুরি ওষুধ। ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে ছয় কোম্পানির এ সিন্ডিকেট।

এ তো গেল বৈধ ওষুধ প্রসঙ্গ। বাংলাদেশের জনগণের জন্য একেই তো ওষুধের দাম লাগামহীন, তার ওপর ভেজাল ওষুধে সয়লাব বাজার। ঢাকায় পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হলেও মফস্বলের বাজার ভেজাল ওষুধে সয়লাব। ভেজাল ও নকল ওষুধ বিক্রিতেও গড়ে উঠেছে ভয়ংকর সিন্ডিকেট।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত