পার্বত্য শান্তিচুক্তির পুনর্মূল্যায়ন এবং ‘জনস্বার্থবিরোধী’ ধারাগুলো বাতিলের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। দাবি আদায়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পার্বত্য চট্টগ্রামজুড়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে বান্দরবান শহরের মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মজিবুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতায় তেমন কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। তার মতে, এখনও শেখ হাসিনার শাসনামলের আইন ও নীতিমালার আওতায় পাহাড় পরিচালিত হচ্ছে এবং বিতর্কিত পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকারও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
মানববন্ধনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—বান্দরবান বাজার ফান্ডভুক্ত জমির লিজের মেয়াদ ৯৯ বছরে উন্নীত করা, ব্যাংকঋণ সুবিধা চালু, এলআর ফান্ড সম্পূর্ণভাবে বাতিল করে দেশের অন্যান্য ৬১ জেলার মতো স্বাভাবিক ভূমি ব্যবস্থাপনা চালু করা এবং রাজার সনদ বাতিল।
আরও পড়ুন, আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা ও বাস্তবতার দ্বন্দ্বে কুষ্টিয়ার ইটভাটা শিল্প
বক্তারা বলেন, শান্তিচুক্তির আওতায় পাহাড়ে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বিশেষ সুবিধা ভোগ করছে, অথচ সাধারণ বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার। এতে সামাজিক বৈষম্য আরও বেড়েছে।কাজী মজিবুর রহমান বলেন, ‘একতরফা চুক্তি ও বিশেষ আইনের বেড়াজালে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রশাসন আজও বন্দি। ফলে সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নিরাপত্তার অজুহাতে পূর্বে প্রত্যাহার করা একটি পূর্ণ ব্রিগেড ও ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন না করায় পাহাড়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রধারী তৎপরতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে, যা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মানববন্ধনে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, বিশেষ ব্যবস্থাপনার নামে পার্বত্য চট্টগ্রামকে আলাদা করে রেখে এখানকার মানুষকে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা আর মেনে নেওয়া যায় না।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
পার্বত্য শান্তিচুক্তির পুনর্মূল্যায়ন এবং ‘জনস্বার্থবিরোধী’ ধারাগুলো বাতিলের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। দাবি আদায়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পার্বত্য চট্টগ্রামজুড়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে বান্দরবান শহরের মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মজিবুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতায় তেমন কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। তার মতে, এখনও শেখ হাসিনার শাসনামলের আইন ও নীতিমালার আওতায় পাহাড় পরিচালিত হচ্ছে এবং বিতর্কিত পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকারও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
মানববন্ধনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—বান্দরবান বাজার ফান্ডভুক্ত জমির লিজের মেয়াদ ৯৯ বছরে উন্নীত করা, ব্যাংকঋণ সুবিধা চালু, এলআর ফান্ড সম্পূর্ণভাবে বাতিল করে দেশের অন্যান্য ৬১ জেলার মতো স্বাভাবিক ভূমি ব্যবস্থাপনা চালু করা এবং রাজার সনদ বাতিল।
আরও পড়ুন, আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা ও বাস্তবতার দ্বন্দ্বে কুষ্টিয়ার ইটভাটা শিল্প
বক্তারা বলেন, শান্তিচুক্তির আওতায় পাহাড়ে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বিশেষ সুবিধা ভোগ করছে, অথচ সাধারণ বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার। এতে সামাজিক বৈষম্য আরও বেড়েছে।কাজী মজিবুর রহমান বলেন, ‘একতরফা চুক্তি ও বিশেষ আইনের বেড়াজালে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রশাসন আজও বন্দি। ফলে সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নিরাপত্তার অজুহাতে পূর্বে প্রত্যাহার করা একটি পূর্ণ ব্রিগেড ও ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন না করায় পাহাড়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রধারী তৎপরতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে, যা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মানববন্ধনে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, বিশেষ ব্যবস্থাপনার নামে পার্বত্য চট্টগ্রামকে আলাদা করে রেখে এখানকার মানুষকে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা আর মেনে নেওয়া যায় না।

আপনার মতামত লিখুন