‘সমরে আমরা শান্তিতে আমরা, সর্বত্র আমরা, দেশের তরে’ এই দীপ্ত স্লোগান বুকে ধারণ করে ১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সময়ের পরিক্রমায় এখন জাতির আশা ও আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের রক্তঝরা দিনগুলো থেকে শুরু করে অদ্যাবধি প্রতিটি সংকটকালে দেশ ও জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে নির্ভীকভাবে এই বাহিনী।
শুধু যুদ্ধ কিংবা দুর্যোগে নয়, দেশের প্রগতি ও উন্নয়নেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নির্মাণ-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে তাদের সুশৃঙ্খল কর্মপদ্ধতি ও পেশাদারত্ব নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারে তাদের সহযোগিতা, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, অবকাঠামো নির্মাণে দক্ষতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সেনাবাহিনী নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো-তাদের সুদৃঢ় একতা ও সংগঠনিক কাঠামো।
আরো পড়ুন , আজ কাদের ও ৭ জনের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচার কার্যক্রম
এই বৈশিষ্ট্য কেবল দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তাদের সুনাম বৃদ্ধি করেছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ সদস্যদের অবদান বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা, আর্তমানবতার সেবা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাদের পেশাদারত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ এক অনন্য বা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এই বাহিনী প্রতিনিয়তই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
এ কারণে সর্বশেষ ২৮ নভেম্বর ২০২৫ জাতিসংঘ বাংলাদেশ শান্তিরক্ষীদের ভূয়সী প্রশংসা করে তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘বিশ্বজুড়ে সাতটি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ৫ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা ‘সার্ভিং ফর পিস’-এ কাজ করছেন। তাঁরা তাঁদের পরিবারকে পেছনে রেখে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের রক্ষা করার কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা এই সাহসী নারী ও পুরুষদের (বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী), তাঁদের সেবা এবং ত্যাগের জন্য ধন্যবাদ জানাই।’
বিষয় : সেনাবাহিনী ভূমিকা শান্তি প্রতিষ্ঠা

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
‘সমরে আমরা শান্তিতে আমরা, সর্বত্র আমরা, দেশের তরে’ এই দীপ্ত স্লোগান বুকে ধারণ করে ১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সময়ের পরিক্রমায় এখন জাতির আশা ও আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের রক্তঝরা দিনগুলো থেকে শুরু করে অদ্যাবধি প্রতিটি সংকটকালে দেশ ও জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে নির্ভীকভাবে এই বাহিনী।
শুধু যুদ্ধ কিংবা দুর্যোগে নয়, দেশের প্রগতি ও উন্নয়নেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নির্মাণ-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে তাদের সুশৃঙ্খল কর্মপদ্ধতি ও পেশাদারত্ব নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারে তাদের সহযোগিতা, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, অবকাঠামো নির্মাণে দক্ষতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সেনাবাহিনী নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো-তাদের সুদৃঢ় একতা ও সংগঠনিক কাঠামো।
আরো পড়ুন , আজ কাদের ও ৭ জনের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচার কার্যক্রম
এই বৈশিষ্ট্য কেবল দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তাদের সুনাম বৃদ্ধি করেছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ সদস্যদের অবদান বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা, আর্তমানবতার সেবা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাদের পেশাদারত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ এক অনন্য বা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এই বাহিনী প্রতিনিয়তই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
এ কারণে সর্বশেষ ২৮ নভেম্বর ২০২৫ জাতিসংঘ বাংলাদেশ শান্তিরক্ষীদের ভূয়সী প্রশংসা করে তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘বিশ্বজুড়ে সাতটি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ৫ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা ‘সার্ভিং ফর পিস’-এ কাজ করছেন। তাঁরা তাঁদের পরিবারকে পেছনে রেখে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের রক্ষা করার কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা এই সাহসী নারী ও পুরুষদের (বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী), তাঁদের সেবা এবং ত্যাগের জন্য ধন্যবাদ জানাই।’

আপনার মতামত লিখুন