দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

নেত্রকোনায় অবৈধভাবে ভূমি জবরদখলের পাঁয়তারা

নেত্রকোনায় অবৈধভাবে ভূমি জবরদখলের পাঁয়তারা
অবৈধভাবে ভূমি জবরদখলের পাঁয়তারা

নেত্রকোনায় কমছে না ভূমি সংক্রান্ত মামলা মোকদ্দমা। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাদের অবহেলা ছলচাতুরি প্রতিবেদনে জমি হারিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন জমির বৈধ্য নিরিহ মালিকানারা। নেত্রকোনা সদর উপজেলায় মদনপুর ইউনিয়নে তেঁতুলিয়া মৌজায় অবস্থিত তেঁতুলিয়া গ্রামের প্রভাবশালী কুচক্রী মহলের যোগসাজশে অবৈধভাবে জমিতে অনুপ্রবেশ করে জবরদখলের পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে তেঁতুলিয়ার লুত মিয়া, দয়াল ও কামরুল মেম্বার গংদের বিরুদ্ধে। প্রায় দুই শতাধিক প্রবীণ লোকজনের সঙ্গে কথা বলে সরেজমিনে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। 

জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে অভিযুক্তরা বিভিন্ন কায়দায় জমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে সম্প্রতি ভূক্তভোগী ওয়ারিশান বন্টননামা রেজিস্ট্রেশন কৃত দলিলমূলে ভোগদখলীয় মালিকানা ও সুধীজনেরা তেঁতুলিয়া মাজার প্রাঙ্গণে এলাকায় সামাজিক দরবার সালিশের আয়োজন করে। গ্রামের দরবার সালিশে স্পষ্ট করে স্বীকার করে প্রকাশ্যে অভিযুক্ত ভূমিদস্যু তেঁতুলিয়া গ্রামের মৃত রহিম খাঁর ছেলে লুত মিয়া, মৃত হাসেম খাঁর ছেলে দয়াল ও মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে কামরুল মেম্বার বলেন ,  ৯০২ নং দাগের ১০ একর ৮০ শতাংশ জমির মালিকানায় আমাদের কোন প্রকার অংশীদারিত্ব নেই , আমারা এই সম্পত্তির মালিক না । জমিদারি প্রথা জোতে ভোগদখলীয় দলিলমূলে ভোগদখলীয় মালিকানা প্রাপ্ত আছে জাফর খাঁর উত্তরাধিকারীরা । বি আর এস. এ যেহেতু কিছু অংশ নতুন তিন দাগে ৪ একর ১৫ শতাংশ খাস ১ নং খতিয়ানে চলে যাওয়ায় এলাকাবাসী হিসেবে এই জমির প্রকৃত মালিকদের কাছে চেয়েছিলাম। 

বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের কাছে  ভূক্তভোগী অভিযোগকারী মাসুদ খান বলেন , ৯০২ দাগের ১০ একর ৮০ শতাংশ জমির ওয়ারিশান বন্টননামা রেজিস্ট্রেশন কৃত ভোগদখলীয় দলিলমূলে মালিকানা আমাদের। তৎকালীন জমিদারি প্রথা জোরমূলের দলিল ও সিএস. মূলে রেজিস্ট্রেশন কৃত দলিলমূলে ভোগদখলীয় মালিকানা প্রাপ্ত হই এবং আমারদের দখলে রয়েছে। মদনপুর ইউনিয়নের দুই সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম ও সৈয়দ আব্দুল কাদিরের দায়িত্বহীন অবহেলা ছলচাতুরির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নাইবগণ নতুন তিন টি দাগের  আংশিক অংশের ৪ একর ১৫ শতাংশ খাস খতিয়ানে চলে যায় উল্লেখ না করে পুরো টা অংশ উল্লেখ করায় আমাদের জমি হারানোর হয়রানিতে ফেলেছে । 

আরও পড়ুন, বগুড়ায় মোটরসাইকেলে মিনিবাসের ধাক্কায় জামায়াত কর্মী নিহত

ইতোমধ্যেই হাই কোর্টের সংশোধনে আবেদনের মাধ্যমে শরণাপন্ন হলে হাই কোর্ট নেত্রকোনা জেলার কোর্টে সংশোধনে আমলে নিয়ে সংশোধন করতে নথিপত্রাদি প্রেরণ করা হয়েছে। মাসুদ খান আরো বলেন , তৎকালীন জমিদারি প্রথা জোরমূলের দলিল ও সিএস. মূলে রেজিস্ট্রেশন কৃত দলিলমূলে মালিকানা আমাদের রয়েছে । আশাকরি কোর্টে সংশোধনের আদেশের মাধ্যমে আমরা ন্যায়বিচার পাব । নাইবদের অস্কারায় দুর্বৃত্ত ভূমিদস্যুরা কিছু দিন আগে লুত মিয়া, দয়াল গংরা আমাদের পুকুর থেকে জোড় পূর্বক দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায় এতে করে এলাকায় চরম চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। যেকোনো সময় অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা ঘটতে পারে ।

বিষয় : নেত্রকোনা জবরদখল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


নেত্রকোনায় অবৈধভাবে ভূমি জবরদখলের পাঁয়তারা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

নেত্রকোনায় কমছে না ভূমি সংক্রান্ত মামলা মোকদ্দমা। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাদের অবহেলা ছলচাতুরি প্রতিবেদনে জমি হারিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন জমির বৈধ্য নিরিহ মালিকানারা। নেত্রকোনা সদর উপজেলায় মদনপুর ইউনিয়নে তেঁতুলিয়া মৌজায় অবস্থিত তেঁতুলিয়া গ্রামের প্রভাবশালী কুচক্রী মহলের যোগসাজশে অবৈধভাবে জমিতে অনুপ্রবেশ করে জবরদখলের পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে তেঁতুলিয়ার লুত মিয়া, দয়াল ও কামরুল মেম্বার গংদের বিরুদ্ধে। প্রায় দুই শতাধিক প্রবীণ লোকজনের সঙ্গে কথা বলে সরেজমিনে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। 

জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে অভিযুক্তরা বিভিন্ন কায়দায় জমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে সম্প্রতি ভূক্তভোগী ওয়ারিশান বন্টননামা রেজিস্ট্রেশন কৃত দলিলমূলে ভোগদখলীয় মালিকানা ও সুধীজনেরা তেঁতুলিয়া মাজার প্রাঙ্গণে এলাকায় সামাজিক দরবার সালিশের আয়োজন করে। গ্রামের দরবার সালিশে স্পষ্ট করে স্বীকার করে প্রকাশ্যে অভিযুক্ত ভূমিদস্যু তেঁতুলিয়া গ্রামের মৃত রহিম খাঁর ছেলে লুত মিয়া, মৃত হাসেম খাঁর ছেলে দয়াল ও মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে কামরুল মেম্বার বলেন ,  ৯০২ নং দাগের ১০ একর ৮০ শতাংশ জমির মালিকানায় আমাদের কোন প্রকার অংশীদারিত্ব নেই , আমারা এই সম্পত্তির মালিক না । জমিদারি প্রথা জোতে ভোগদখলীয় দলিলমূলে ভোগদখলীয় মালিকানা প্রাপ্ত আছে জাফর খাঁর উত্তরাধিকারীরা । বি আর এস. এ যেহেতু কিছু অংশ নতুন তিন দাগে ৪ একর ১৫ শতাংশ খাস ১ নং খতিয়ানে চলে যাওয়ায় এলাকাবাসী হিসেবে এই জমির প্রকৃত মালিকদের কাছে চেয়েছিলাম। 

বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের কাছে  ভূক্তভোগী অভিযোগকারী মাসুদ খান বলেন , ৯০২ দাগের ১০ একর ৮০ শতাংশ জমির ওয়ারিশান বন্টননামা রেজিস্ট্রেশন কৃত ভোগদখলীয় দলিলমূলে মালিকানা আমাদের। তৎকালীন জমিদারি প্রথা জোরমূলের দলিল ও সিএস. মূলে রেজিস্ট্রেশন কৃত দলিলমূলে ভোগদখলীয় মালিকানা প্রাপ্ত হই এবং আমারদের দখলে রয়েছে। মদনপুর ইউনিয়নের দুই সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম ও সৈয়দ আব্দুল কাদিরের দায়িত্বহীন অবহেলা ছলচাতুরির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নাইবগণ নতুন তিন টি দাগের  আংশিক অংশের ৪ একর ১৫ শতাংশ খাস খতিয়ানে চলে যায় উল্লেখ না করে পুরো টা অংশ উল্লেখ করায় আমাদের জমি হারানোর হয়রানিতে ফেলেছে । 

আরও পড়ুন, বগুড়ায় মোটরসাইকেলে মিনিবাসের ধাক্কায় জামায়াত কর্মী নিহত

ইতোমধ্যেই হাই কোর্টের সংশোধনে আবেদনের মাধ্যমে শরণাপন্ন হলে হাই কোর্ট নেত্রকোনা জেলার কোর্টে সংশোধনে আমলে নিয়ে সংশোধন করতে নথিপত্রাদি প্রেরণ করা হয়েছে। মাসুদ খান আরো বলেন , তৎকালীন জমিদারি প্রথা জোরমূলের দলিল ও সিএস. মূলে রেজিস্ট্রেশন কৃত দলিলমূলে মালিকানা আমাদের রয়েছে । আশাকরি কোর্টে সংশোধনের আদেশের মাধ্যমে আমরা ন্যায়বিচার পাব । নাইবদের অস্কারায় দুর্বৃত্ত ভূমিদস্যুরা কিছু দিন আগে লুত মিয়া, দয়াল গংরা আমাদের পুকুর থেকে জোড় পূর্বক দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায় এতে করে এলাকায় চরম চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। যেকোনো সময় অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা ঘটতে পারে ।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত