নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় গড়াডোবা ইউনিয়নের গাড়াউন্দ গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক শিশু ও দুই নারীসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে হাওরপাড়ের একটি কৃষিজমিতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় মো. জব্বার মিয়া, আজিজুল, টিপু, এরশাদ, জাহিদুল, স্বপন, খোকন, হায়াত ও সালামকে স্থানীয়দের সহায়তায় নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২৮ শতক কৃষিজমি কয়েক বছর আগে জব্বার মিয়ার মা বান্দনাল গ্রামের শহিদ মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে শহিদ মিয়া ওই জমি গাড়াউন্দ গ্রামের হায়াত মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু পরে জমিটির রেকর্ড জব্বার মিয়া ও শুক্কুর আলীর নামে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। শুক্কুর আলী তাঁর অংশের ১৪ শতক জমি হায়াত মিয়াকে হস্তান্তর করলেও অপর অংশ নিয়ে জব্বার মিয়া আদালতে প্রিয়েমশন মামলা করেন। মামলাটি এখনো বিচারাধীন। এদিকে আদালতের নিষ্পত্তি না হলেও হায়াত মিয়া দীর্ঘদিন ধরে পুরো জমি ভোগদখল করে আসছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান।
আরও পড়ুন, খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে হায়াত মিয়া জমিতে বোরো ধানের চাষ শুরু করলে জব্বার মিয়া ও তাঁর লোকজন বাধা দেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুপক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হন। কেন্দুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিহির রঞ্জন বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও ভূমি অফিস সূত্র বলছে, জমির নামজারি ও রেকর্ড সংশোধনের দীর্ঘসূত্রতা এবং আদালতে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে মাঠপর্যায়ে দখল-পাল্টাদখলের প্রবণতাই এ সংঘর্ষের মূল কারণ। স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত আইনি নিষ্পত্তি ও প্রশাসনিক নজরদারি না বাড়ালে এলাকায় পুনরায় সহিংসতার ঝুঁকি থেকে যাবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় গড়াডোবা ইউনিয়নের গাড়াউন্দ গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক শিশু ও দুই নারীসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে হাওরপাড়ের একটি কৃষিজমিতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় মো. জব্বার মিয়া, আজিজুল, টিপু, এরশাদ, জাহিদুল, স্বপন, খোকন, হায়াত ও সালামকে স্থানীয়দের সহায়তায় নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২৮ শতক কৃষিজমি কয়েক বছর আগে জব্বার মিয়ার মা বান্দনাল গ্রামের শহিদ মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে শহিদ মিয়া ওই জমি গাড়াউন্দ গ্রামের হায়াত মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু পরে জমিটির রেকর্ড জব্বার মিয়া ও শুক্কুর আলীর নামে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। শুক্কুর আলী তাঁর অংশের ১৪ শতক জমি হায়াত মিয়াকে হস্তান্তর করলেও অপর অংশ নিয়ে জব্বার মিয়া আদালতে প্রিয়েমশন মামলা করেন। মামলাটি এখনো বিচারাধীন। এদিকে আদালতের নিষ্পত্তি না হলেও হায়াত মিয়া দীর্ঘদিন ধরে পুরো জমি ভোগদখল করে আসছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান।
আরও পড়ুন, খানসামায় রক্তরেখা ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে হায়াত মিয়া জমিতে বোরো ধানের চাষ শুরু করলে জব্বার মিয়া ও তাঁর লোকজন বাধা দেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুপক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হন। কেন্দুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিহির রঞ্জন বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও ভূমি অফিস সূত্র বলছে, জমির নামজারি ও রেকর্ড সংশোধনের দীর্ঘসূত্রতা এবং আদালতে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে মাঠপর্যায়ে দখল-পাল্টাদখলের প্রবণতাই এ সংঘর্ষের মূল কারণ। স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত আইনি নিষ্পত্তি ও প্রশাসনিক নজরদারি না বাড়ালে এলাকায় পুনরায় সহিংসতার ঝুঁকি থেকে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন