মানবসেবাকে যিনি দায়িত্ব নয়, বরং জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছেন তিনি যশোরের মনিরামপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সম্রাট হোসেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন এই মানবিক কর্মকর্তা।
খোজ-খবর নিয়ে জানা যায়, দিনে অফিসের নিয়মিত কার্যক্রম শেষে গভীর রাতেও উপজেলার প্রত্যন্ত ইউনিয়ন, অজ পাড়া-গাঁয়ে ছুটে যান ইউএনও মোঃ সম্রাট গোসেন। তীব্র শীত উপেক্ষা করে খোঁজ নেন গরিব, অসহায়, দুঃস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের। কখনো শীতার্ত মানুষের হাতে তুলে দেন শীতবস্ত্র, কখনো অসহায় পরিবারের আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করেন। দরিদ্র পরিবারের মেয়ের বিয়েতে সহায়তার হাত বাড়ান, অসুস্থ মানুষের ওষুধ কেনার জন্য দেন আর্থিক সহযোগিতা। আবার কখনো প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইলচেয়ার, কখনো এতিম ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য অন্নের ব্যবস্থা করে দেন। এভাবেই নিঃশব্দে মানবতার আলো ছড়িয়ে চলেছেন তিনি।
দায়িত্বের সঙ্গে মানবসেবার অনন্য সংমিশ্রণ ইউএনও মোঃ সম্রাট হোসেন
তার এই উদার মানবিক কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ মনিরামপুরবাসী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি ও সংবাদকর্মী তার মানবিকতার প্রশংসা করছেন। অনেকেই তাকে একজন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে অভিহিত করছেন। মনিরামপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের পূর্ণিমা মন্ডল আবেগভরে বলেন, এই বয়সে যিনি আমাদের মতো গরিবের খোঁজ নিতে আসেন, তিনি ভগবানের পাঠানো মানুষ।
মাহমুদকাটি গ্রামের এক প্রতিবন্ধী আবুল কালাম হুইলচেয়ার পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, আমি ভাবতেই পারিনি সরকারি একজন কর্মকর্তা নিজে এসে আমার কষ্ট বুঝবেন। মনিরামপুর পৌর শহরের বাসিন্দা মোঃ আবুবকর সিদ্দিক তার ফেসবুক পোস্টে ইউএনওর প্রশংসা করে লেখেন, সম্রাট হোসেন প্রমাণ করেছেন চাইলে প্রশাসনও মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।
আরও পড়ুন, সাতক্ষীরায় শহীদ ওসমান হাদী স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
মনিরামপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক রাহাত আলী বলেন, ইউএনও মহোদয়ের মানবিকতা আমাদের মুগ্ধ করেছে। তার এই দৃষ্টান্ত প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তাদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সম্রাট হোসেন বলেন, আমি মনে করি মানবসেবা পরম ধর্ম। প্রত্যেক মানুষেরই সমাজের প্রতি কিছু দায়বদ্ধতা আছে। সেই উপলব্ধি থেকেই মানুষের জন্য সামান্য কিছু করার চেষ্টা করি। মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে মনিরামপুরের ইউএনও মোঃ সম্রাট হোসেন আজ শুধু একজন প্রশাসক নন তিনি অসহায় মানুষের আশার বাতিঘর।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
মানবসেবাকে যিনি দায়িত্ব নয়, বরং জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছেন তিনি যশোরের মনিরামপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সম্রাট হোসেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন এই মানবিক কর্মকর্তা।
খোজ-খবর নিয়ে জানা যায়, দিনে অফিসের নিয়মিত কার্যক্রম শেষে গভীর রাতেও উপজেলার প্রত্যন্ত ইউনিয়ন, অজ পাড়া-গাঁয়ে ছুটে যান ইউএনও মোঃ সম্রাট গোসেন। তীব্র শীত উপেক্ষা করে খোঁজ নেন গরিব, অসহায়, দুঃস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের। কখনো শীতার্ত মানুষের হাতে তুলে দেন শীতবস্ত্র, কখনো অসহায় পরিবারের আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করেন। দরিদ্র পরিবারের মেয়ের বিয়েতে সহায়তার হাত বাড়ান, অসুস্থ মানুষের ওষুধ কেনার জন্য দেন আর্থিক সহযোগিতা। আবার কখনো প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইলচেয়ার, কখনো এতিম ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য অন্নের ব্যবস্থা করে দেন। এভাবেই নিঃশব্দে মানবতার আলো ছড়িয়ে চলেছেন তিনি।
দায়িত্বের সঙ্গে মানবসেবার অনন্য সংমিশ্রণ ইউএনও মোঃ সম্রাট হোসেন
তার এই উদার মানবিক কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ মনিরামপুরবাসী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি ও সংবাদকর্মী তার মানবিকতার প্রশংসা করছেন। অনেকেই তাকে একজন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে অভিহিত করছেন। মনিরামপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের পূর্ণিমা মন্ডল আবেগভরে বলেন, এই বয়সে যিনি আমাদের মতো গরিবের খোঁজ নিতে আসেন, তিনি ভগবানের পাঠানো মানুষ।
মাহমুদকাটি গ্রামের এক প্রতিবন্ধী আবুল কালাম হুইলচেয়ার পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, আমি ভাবতেই পারিনি সরকারি একজন কর্মকর্তা নিজে এসে আমার কষ্ট বুঝবেন। মনিরামপুর পৌর শহরের বাসিন্দা মোঃ আবুবকর সিদ্দিক তার ফেসবুক পোস্টে ইউএনওর প্রশংসা করে লেখেন, সম্রাট হোসেন প্রমাণ করেছেন চাইলে প্রশাসনও মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।
আরও পড়ুন, সাতক্ষীরায় শহীদ ওসমান হাদী স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
মনিরামপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক রাহাত আলী বলেন, ইউএনও মহোদয়ের মানবিকতা আমাদের মুগ্ধ করেছে। তার এই দৃষ্টান্ত প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তাদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সম্রাট হোসেন বলেন, আমি মনে করি মানবসেবা পরম ধর্ম। প্রত্যেক মানুষেরই সমাজের প্রতি কিছু দায়বদ্ধতা আছে। সেই উপলব্ধি থেকেই মানুষের জন্য সামান্য কিছু করার চেষ্টা করি। মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে মনিরামপুরের ইউএনও মোঃ সম্রাট হোসেন আজ শুধু একজন প্রশাসক নন তিনি অসহায় মানুষের আশার বাতিঘর।

আপনার মতামত লিখুন