দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

যশোর-৫ ত্রিমুখী লড়াই মনিরামপুর বিএনপিতে বিভক্তি (ধানের শীষ-কলস), ফুর - ফুরে মেজাজে জামায়াত

৮৯, যশোর - (মনিরামপুর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটের মাঠ এখন উত্তপ্ত। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনীত প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মুফতি রশিদ আহমদ (ধানের শীষ) ও বিএনপি’র বিদ্রোহী উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি (সম্প্রতি বহিস্কৃত) অ্যাডঃ শহীদ মো. ইকবাল হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (কলস) প্রতীক নিয়ে র্নিবাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই দুইয়ের দ্বন্দ্বেই মূলতঃ ঘুরছে নির্বাচনী সমীকরণ। দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শের প্রশ্নে রশিদ আহমদ বিএনপির একাংশের পাশাপাশি তরুণ ভোটারদের সমর্থন পাচ্ছেন। সাবেক এমপি মুফতি ওয়াক্কাসের সন্তান হওয়ায় ব্যক্তিগত পরিচিতিও তার শক্তি।অন্যদিকে, দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও শহীদ ইকবাল তৃণমূলে বিএনপির বড় অংশ, সংখ্যালঘু ভোটারদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ ভোটারদের সমর্থন ধরে রেখেছেন। নৌকা প্রতীক না থাকায় প্রায় ৭০ হাজার সংখ্যালঘু ভোট এই আসনের ‘গেম চেঞ্জার’ হয়ে উঠেছে। বিএনপির এই বিভক্তির সুযোগে জামায়াত প্রার্থী অ্যাডঃ গাজী এনামুল হক (দাঁড়িপাল্লাও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বলে মনে করছেন ভোটাররা। শেষ পর্যন্ত প্রতীক, ব্যক্তি ইমেজ ও সংখ্যালঘু ভোট-এই তিন ফ্যাক্টরই নির্ধারণ করবে মনিরামপুরের জয়-পরাজয়।আরও পড়ুন, মুকসুদপুরে দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার, জনসমুদ্রে রূপ নিল জামায়াতের গণমিছিল, স্পষ্ট বিজয়ের বার্তাউল্লেখ্য, এ আসনে ৬ জন প্রার্থী  মুফতি  রশিদ আহমাদ (ধানের শীষ), অ্যাডঃ গাজী এনামুল হক (দাঁড়িপাল্লা), স্বতন্ত্র (বিএনপি বিদ্রোহী) অ্যাডঃ শহীদ মোঃ ইকবাল হোসেন (কলস), এম এ হালিম (লাঙ্গল), জয়নাল আবেদীন টিপু (হাতপাখা)  ও স্বতন্ত্র  প্রার্থী ব্যারিস্টার কামরুজ্জামান (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যশোর-৫ মণিরামপুর আসন টি ১৭ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। মোট ভোটার তিন লাখ ৭৪ হাজার ২৫২ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৮৮ হাজার ৪৭৭ জন ও নারী ভোটার এক লাখ ৮৫ হাজার ৭৭১ জন।

যশোর-৫ ত্রিমুখী লড়াই মনিরামপুর বিএনপিতে বিভক্তি (ধানের শীষ-কলস), ফুর - ফুরে মেজাজে জামায়াত