দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারি ২০২৬

সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্কের আধিপত্য

সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্কের আধিপত্য
সীমান্তবর্তী নেটওয়ার্কের আধিপত্য

  • ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলা ফেনী। জেলার সীমান্তবর্তী তিনটি উপজেলা—পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে ভারতীয় বিভিন্ন মোবাইল ফোন কোম্পানির সিমকার্ড।শুধু সীমান্ত এলাকায় নয়, এমন সিম ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে খোদ ফেনী শহরেও। অর্থাৎ ভারতীয় মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েছে ফেনী সদরসহ চার উপজেলার বিশাল এলাকা। চোরাকারবারিদের সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্কে ব্যবহার হচ্ছে ভারতীয় সিমকার্ড। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের সিমকার্ড ব্যবহার করে নানা সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ছাগলনাইয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন শুভপুর ও মহামায়া, ফুলগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী সদর ইউনিয়ন, আমজাদহাট, আনন্দপুর, মুন্সীরহাট এবং পরশুরাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন চিথলিয়া, বক্সমাহমুদ ও মির্জানগরের বিভিন্ন গ্রামে ভারতীয় সিমকার্ড ব্যবহার করে নির্বিবাদে ইন্টারনেট চালাচ্ছেন গ্রাহকরা।


আরো পড়ুন , জীবিত হরিণ উদ্ধার শিকারি আটক সুন্দরবনে


সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী তরুণদের দাবি, দেশীয় মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর নেটওয়ার্ক দুর্বল হওয়ায় ইন্টারনেট সেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে তারা ভারতীয় সিমকার্ড ব্যবহার করেন। তারা গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারসহ ইন্টারনেটভিত্তিক ফ্রি-ফায়ার, পাবজির মতো গেমও খেলছেন। তারা তাদের মোবাইল ফোনে ব্যবহার করেন ভারতীয় কোম্পানি এয়ারটেল, জিও, ভোডাফোন, রিলায়েন্সসহ বিভিন্ন কোম্পানির সিম।পরশুরাম উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মনির চেয়ারম্যান বলেন, এসব সিম ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলমগীর বিএ বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জন্য সুখকর নয়। এই সিমগুলো অসাধু লোকেরা ব্যবহার করে দেশকে বিপদে ফেলতে চাইছে। আমরা সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

বিষয় : নেটওয়ার্ক সীমান্তবর্তী আধিপত্য

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্কের আধিপত্য

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

  • ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলা ফেনী। জেলার সীমান্তবর্তী তিনটি উপজেলা—পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে ভারতীয় বিভিন্ন মোবাইল ফোন কোম্পানির সিমকার্ড।শুধু সীমান্ত এলাকায় নয়, এমন সিম ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে খোদ ফেনী শহরেও। অর্থাৎ ভারতীয় মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েছে ফেনী সদরসহ চার উপজেলার বিশাল এলাকা। চোরাকারবারিদের সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্কে ব্যবহার হচ্ছে ভারতীয় সিমকার্ড। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের সিমকার্ড ব্যবহার করে নানা সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ছাগলনাইয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন শুভপুর ও মহামায়া, ফুলগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী সদর ইউনিয়ন, আমজাদহাট, আনন্দপুর, মুন্সীরহাট এবং পরশুরাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন চিথলিয়া, বক্সমাহমুদ ও মির্জানগরের বিভিন্ন গ্রামে ভারতীয় সিমকার্ড ব্যবহার করে নির্বিবাদে ইন্টারনেট চালাচ্ছেন গ্রাহকরা।


আরো পড়ুন , জীবিত হরিণ উদ্ধার শিকারি আটক সুন্দরবনে


সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী তরুণদের দাবি, দেশীয় মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর নেটওয়ার্ক দুর্বল হওয়ায় ইন্টারনেট সেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে তারা ভারতীয় সিমকার্ড ব্যবহার করেন। তারা গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারসহ ইন্টারনেটভিত্তিক ফ্রি-ফায়ার, পাবজির মতো গেমও খেলছেন। তারা তাদের মোবাইল ফোনে ব্যবহার করেন ভারতীয় কোম্পানি এয়ারটেল, জিও, ভোডাফোন, রিলায়েন্সসহ বিভিন্ন কোম্পানির সিম।পরশুরাম উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মনির চেয়ারম্যান বলেন, এসব সিম ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলমগীর বিএ বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জন্য সুখকর নয়। এই সিমগুলো অসাধু লোকেরা ব্যবহার করে দেশকে বিপদে ফেলতে চাইছে। আমরা সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত