গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভায় নির্মিত একাধিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা বর্তমানে কার্যকারিতা হারিয়েছে। নির্মাণ শেষ হওয়ার পর এখন পর্যন্ত এসব ড্রেন দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে না। সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, গাইবান্ধা রোড, উপজেলা রোড, বেলেরঘাট রোড, কালীবাড়ি বাজার রোড ও সরকারি কলেজ রোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর ড্রেন নির্মাণের সময় পানির নির্দিষ্ট ও টেকসই আউটফল নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে ড্রেনগুলো কার্যত বন্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পনাহীনভাবে ড্রেন নির্মাণের কারণে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাড়ছে। তারা জানান, ড্রেনের মুখ বন্ধ থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়ক ও আশপাশের এলাকায় পানি জমে যায়।
এ বিষয়ে সাবেক কাউন্সিলর মাহামুদুল হাসান বলেন, “নির্বাচিত হওয়ার পর আমরা খুব বেশি সময় কাজ করার সুযোগ পাইনি। তবে দায়িত্বে থাকাকালীন পৌরসভার প্রকৌশলীদের সবসময় বলেছি, জনস্বার্থে যা করা হবে তা যেন টেকসই হয়। এখন আমরা দায়িত্বে না থাকায় অনেক কিছু প্রকাশ্যে বলতে পারছি না। ড্রেনগুলো দিয়ে বর্ষা মৌসুমের পানিও ঠিকভাবে প্রবাহ হয় না। ভবিষ্যতে যদি বাসাবাড়ি বা হোটেল-রেস্তোরাঁর পানির সংযোগ দেওয়া হয়, তাহলে পৌরবাসী আরও বড় সমস্যায় পড়বে।” তিনি পৌর কর্তৃপক্ষকে অবহেলা না করে দ্রুত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় পিতৃপরিচয়ের দাবিতে বাবার বিরুদ্ধে সন্তানের সংবাদ সম্মেলন
অভিযোগর বিষয়ে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মর্তুজা এলাহি জানান, দ্রুত সংযোগযুক্ত বড় ড্রেনের একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমের আগে বিদ্যমান ড্রেনগুলো পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই অপরিকল্পিত ড্রেনেজগুলোর মুখ খুলে দেওয়া, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং কার্যকর আউটফল নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে আসন্ন বর্ষায় জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভায় নির্মিত একাধিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা বর্তমানে কার্যকারিতা হারিয়েছে। নির্মাণ শেষ হওয়ার পর এখন পর্যন্ত এসব ড্রেন দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে না। সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, গাইবান্ধা রোড, উপজেলা রোড, বেলেরঘাট রোড, কালীবাড়ি বাজার রোড ও সরকারি কলেজ রোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর ড্রেন নির্মাণের সময় পানির নির্দিষ্ট ও টেকসই আউটফল নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে ড্রেনগুলো কার্যত বন্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পনাহীনভাবে ড্রেন নির্মাণের কারণে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাড়ছে। তারা জানান, ড্রেনের মুখ বন্ধ থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়ক ও আশপাশের এলাকায় পানি জমে যায়।
এ বিষয়ে সাবেক কাউন্সিলর মাহামুদুল হাসান বলেন, “নির্বাচিত হওয়ার পর আমরা খুব বেশি সময় কাজ করার সুযোগ পাইনি। তবে দায়িত্বে থাকাকালীন পৌরসভার প্রকৌশলীদের সবসময় বলেছি, জনস্বার্থে যা করা হবে তা যেন টেকসই হয়। এখন আমরা দায়িত্বে না থাকায় অনেক কিছু প্রকাশ্যে বলতে পারছি না। ড্রেনগুলো দিয়ে বর্ষা মৌসুমের পানিও ঠিকভাবে প্রবাহ হয় না। ভবিষ্যতে যদি বাসাবাড়ি বা হোটেল-রেস্তোরাঁর পানির সংযোগ দেওয়া হয়, তাহলে পৌরবাসী আরও বড় সমস্যায় পড়বে।” তিনি পৌর কর্তৃপক্ষকে অবহেলা না করে দ্রুত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় পিতৃপরিচয়ের দাবিতে বাবার বিরুদ্ধে সন্তানের সংবাদ সম্মেলন
অভিযোগর বিষয়ে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মর্তুজা এলাহি জানান, দ্রুত সংযোগযুক্ত বড় ড্রেনের একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমের আগে বিদ্যমান ড্রেনগুলো পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই অপরিকল্পিত ড্রেনেজগুলোর মুখ খুলে দেওয়া, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং কার্যকর আউটফল নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে আসন্ন বর্ষায় জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন