দেশের বর্তমান প্রশাসনে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা বিদ্যমান। বদলি-পদোন্নতিতে ত্রুটি, অনিয়ম ও জট রয়ে গেছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে পদায়ন থেকে শুরু করে সচিব পদে পদোন্নতিতে কিছু ক্ষেত্রে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বদলি, প্রেষণ ও পদোন্নতির অনুবিভাগের (এপিডি) অতিরিক্ত সচিব পদটি ফাঁকা রাখতে হচ্ছে। বিভিন্ন দলের তদবির-আপত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ এ অনুবিভাগের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসনের কার্যক্রম অনেকটা সীমিত হয়ে পড়েছে। তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে আগামীতে নির্বাচিত হয়ে আসা দলীয় সরকারের দিকে।স্বাভাবিক নিয়মেই আগামী সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে।
আরো পড়ুন , সালমান ও আনিসুলের জুলাই হত্যাযজ্ঞ শুনানি মামলা আজ
উন্নয়নমূলক কাজ ত্বরান্বিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে। কিন্তু প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একটি অংশ দলীয় সরকারের আশায় আছেন নিজের স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে। দেখা যাচ্ছে, রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশে নিয়মিত যোগ দিচ্ছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পিছিয়ে নেই কর্মচারীরাও। কে কোন দলের ঘনিষ্ঠ হতে পারেন, তা নিয়ে রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। অধস্তন কর্মকর্তারা ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ না মেনে বরং দলীয় আনুগত্যে জোর দিচ্ছেন। নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতায় আসার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। আশঙ্কার কথা, প্রশাসনে দায়িত্বরত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা দলীয় নেতার নির্দেশ মানতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। এর জেরে গোটা প্রশাসনে নাজুক অবস্থা বিরাজ করছে। এর মধ্যে দুটি দলের অনুসারী বেশি বলে মনে হচ্ছে। দলের কার্যালয়ে কিংবা নেতাদের বাসায় দেখা করার আকাক্সক্ষাও কাজ করছে কিছু কর্মকর্তার মধ্যে। এ জন্য লবিয়িং করছেন কেউ কেউ। আর যাদের পূর্ব যোগাযোগ আছে, তারা এখন সম্পর্ক মজবুত করায় ব্যস্ত।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
দেশের বর্তমান প্রশাসনে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা বিদ্যমান। বদলি-পদোন্নতিতে ত্রুটি, অনিয়ম ও জট রয়ে গেছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে পদায়ন থেকে শুরু করে সচিব পদে পদোন্নতিতে কিছু ক্ষেত্রে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বদলি, প্রেষণ ও পদোন্নতির অনুবিভাগের (এপিডি) অতিরিক্ত সচিব পদটি ফাঁকা রাখতে হচ্ছে। বিভিন্ন দলের তদবির-আপত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ এ অনুবিভাগের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসনের কার্যক্রম অনেকটা সীমিত হয়ে পড়েছে। তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে আগামীতে নির্বাচিত হয়ে আসা দলীয় সরকারের দিকে।স্বাভাবিক নিয়মেই আগামী সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে।
আরো পড়ুন , সালমান ও আনিসুলের জুলাই হত্যাযজ্ঞ শুনানি মামলা আজ
উন্নয়নমূলক কাজ ত্বরান্বিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে। কিন্তু প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একটি অংশ দলীয় সরকারের আশায় আছেন নিজের স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে। দেখা যাচ্ছে, রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশে নিয়মিত যোগ দিচ্ছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পিছিয়ে নেই কর্মচারীরাও। কে কোন দলের ঘনিষ্ঠ হতে পারেন, তা নিয়ে রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। অধস্তন কর্মকর্তারা ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ না মেনে বরং দলীয় আনুগত্যে জোর দিচ্ছেন। নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতায় আসার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। আশঙ্কার কথা, প্রশাসনে দায়িত্বরত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা দলীয় নেতার নির্দেশ মানতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। এর জেরে গোটা প্রশাসনে নাজুক অবস্থা বিরাজ করছে। এর মধ্যে দুটি দলের অনুসারী বেশি বলে মনে হচ্ছে। দলের কার্যালয়ে কিংবা নেতাদের বাসায় দেখা করার আকাক্সক্ষাও কাজ করছে কিছু কর্মকর্তার মধ্যে। এ জন্য লবিয়িং করছেন কেউ কেউ। আর যাদের পূর্ব যোগাযোগ আছে, তারা এখন সম্পর্ক মজবুত করায় ব্যস্ত।

আপনার মতামত লিখুন