শীতকালে তাপমাত্রা কমে যাওয়া ও সংক্রমণ বাড়ার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে তুলনামূলক বেশি। এ সময় সহজলভ্য মৌসুমি ফল পেয়ারা হতে পারে শরীরের জন্য চমৎকার এক পুষ্টিগুণের উৎস। ভিটামিন সি, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এই ফল শীতজনিত নানা সমস্যায় কার্যকর ভূমিকা রাখে।পেয়ারা ভিটামিন সি এর দারুণ উৎস। একটি পেয়ারায় কমলার চেয়েও বেশি ভিটামিন সি থাকে। পাশাপাশি লাইকোপিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে ভাইরাসজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম করে। শীতে সর্দি-কাশি ও জ্বরের ঝুঁকি কমায় নিয়মিত পেয়ারা খাওয়া।
আরো পড়ুন , যে ফল খেলে রক্তে দ্রুত বাড়ে শর্করা
ঠাণ্ডা লাগার কারণে কাশি ও সর্দি হলে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দারুণ উপকার দেয়। এটি শ্বাসনালির শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে সহায়তা করে এবং গলা-ফুসফুসে জীবাণুর উপস্থিতি কমায়। ফলে দ্রুত উপশম মেলে সর্দি-কাশিজনিত অস্বস্তি থেকে। পানি কম খাওয়ার প্রবণতা ও অলসতা হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। ফাইবারসমৃদ্ধ পেয়ারা অন্ত্রের গতি ঠিক রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এতে অন্ত্রে তৈরি হয় স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, যা হজমের পাশাপাশি পুষ্টি শোষণও বাড়ায়।শীতে ক্যালরিযুক্ত খাবারের প্রতি ঝোঁক বাড়ে। কম ক্যালরি ও বেশি ফাইবারসমৃদ্ধ পেয়ারা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং অপ্রয়োজনীয় খাওয়ার প্রবণতা কমায়। এর প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ রক্তে শর্করার মাত্রা না বাড়িয়েই মিষ্টির চাহিদা পূরণ করে, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
শীতকালে তাপমাত্রা কমে যাওয়া ও সংক্রমণ বাড়ার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে তুলনামূলক বেশি। এ সময় সহজলভ্য মৌসুমি ফল পেয়ারা হতে পারে শরীরের জন্য চমৎকার এক পুষ্টিগুণের উৎস। ভিটামিন সি, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এই ফল শীতজনিত নানা সমস্যায় কার্যকর ভূমিকা রাখে।পেয়ারা ভিটামিন সি এর দারুণ উৎস। একটি পেয়ারায় কমলার চেয়েও বেশি ভিটামিন সি থাকে। পাশাপাশি লাইকোপিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে ভাইরাসজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম করে। শীতে সর্দি-কাশি ও জ্বরের ঝুঁকি কমায় নিয়মিত পেয়ারা খাওয়া।
আরো পড়ুন , যে ফল খেলে রক্তে দ্রুত বাড়ে শর্করা
ঠাণ্ডা লাগার কারণে কাশি ও সর্দি হলে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দারুণ উপকার দেয়। এটি শ্বাসনালির শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে সহায়তা করে এবং গলা-ফুসফুসে জীবাণুর উপস্থিতি কমায়। ফলে দ্রুত উপশম মেলে সর্দি-কাশিজনিত অস্বস্তি থেকে। পানি কম খাওয়ার প্রবণতা ও অলসতা হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। ফাইবারসমৃদ্ধ পেয়ারা অন্ত্রের গতি ঠিক রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এতে অন্ত্রে তৈরি হয় স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, যা হজমের পাশাপাশি পুষ্টি শোষণও বাড়ায়।শীতে ক্যালরিযুক্ত খাবারের প্রতি ঝোঁক বাড়ে। কম ক্যালরি ও বেশি ফাইবারসমৃদ্ধ পেয়ারা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং অপ্রয়োজনীয় খাওয়ার প্রবণতা কমায়। এর প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ রক্তে শর্করার মাত্রা না বাড়িয়েই মিষ্টির চাহিদা পূরণ করে, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক।

আপনার মতামত লিখুন