শীতে কাঁপছে কিশোরগঞ্জ। টানা তিন দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে জেলার নিকলী উপজেলায়। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে হাওর অধ্যুষিত এই উপজেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে নিকলীতে দেশের সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
আর রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে এখানে তাপমাত্রা নেমে আসে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা সেদিন দেশের সর্বনিম্ন ছিল। বেলা ১১টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আজও সারা দেশের মধ্যে নিকলীতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, মধ্যনগরে ডেবিল হান্টের অভিযানে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার ও সোমবারের তুলনায় শীতের তীব্রতা সামান্য কমলেও জেলার ওপর দিয়ে এখনও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলতি মাসজুড়ে শীতের প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে এবং শীতের অনুভূতি কমার তেমন সম্ভাবনা নেই। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন। পাশাপাশি জেলার হাওরাঞ্চলে বোরো ধান আবাদের মৌসুম চলায় কৃষকরাও বাড়তি দুর্ভোগে পড়েছেন। নিকলী আবহাওয়া অফিসের টেলিপ্রিন্টার অপারেটর বদরুল আমিন খান টিপু এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
শীতে কাঁপছে কিশোরগঞ্জ। টানা তিন দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে জেলার নিকলী উপজেলায়। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে হাওর অধ্যুষিত এই উপজেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে নিকলীতে দেশের সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
আর রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে এখানে তাপমাত্রা নেমে আসে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা সেদিন দেশের সর্বনিম্ন ছিল। বেলা ১১টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আজও সারা দেশের মধ্যে নিকলীতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, মধ্যনগরে ডেবিল হান্টের অভিযানে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার ও সোমবারের তুলনায় শীতের তীব্রতা সামান্য কমলেও জেলার ওপর দিয়ে এখনও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলতি মাসজুড়ে শীতের প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে এবং শীতের অনুভূতি কমার তেমন সম্ভাবনা নেই। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন। পাশাপাশি জেলার হাওরাঞ্চলে বোরো ধান আবাদের মৌসুম চলায় কৃষকরাও বাড়তি দুর্ভোগে পড়েছেন। নিকলী আবহাওয়া অফিসের টেলিপ্রিন্টার অপারেটর বদরুল আমিন খান টিপু এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন