দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের ৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ উদযাপন

বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের ৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ উদযাপন
মোস্তফা কামাল

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের ৭৮তম জন্মদিন আজ। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মৃত্যুঞ্জয়ী সৈনিক মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ১৯৪৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোলার দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজীপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা হাবিবুর রহমান সেনাবাহিনীর হাবিলদার ছিলেন ও মাতা মালেকা বেগম ছিলেন গৃহিনী। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে মোস্তফা কামাল ছিলেন সবার বড়।

মোস্তফা কামাল পড়াশোনা বেশিদূর করতে পারেননি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর উচ্চ মাধ্যমিকে দুই—এক বছর অধ্যয়ন করেন।মোস্তফা কামালের ছেলেবেলা তার পিতার কর্মস্থল কুমিল্লা সেনানিবাসে কেটেছে। বিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার চেয়ে সেনানিবাসে সেনাদের কুচকাওয়াজ, মার্চপাস্ট ইত্যাদি ভালো লাগত।
ক্রমেই তিনি সেনাবাহিনীর একজন সদস্য হওয়ার স্বপ্ন দেখতে থাকে এবং স্থির করেন সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন। ২০ বছর বয়সে হঠাৎ করেই মোস্তফা কামাল বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। পরে ১৯৬৮ সালে পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে চাকরি চূড়ান্ত হওয়ার পরে সে তার পিতা-মাতার সন্ধান পান।১৯৬৭-এর ১৬ ডিসেম্বর বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে সেনাবাহিনীতে চাকরিগ্রহণ করেন।
তিনি ছিলেন চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক। ১৯৭১-এর প্রথম দিকে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে কুমিল্লা সেনানিবাস থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাঠানো হয়। তখন সারা দেশে যুদ্ধের বিভৎসতা ছড়িয়ে পড়েছিল। সেনানিবাসগুলোতে অবস্থা উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ১৬ এপ্রিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য কুমিল্লা-আখাউড়া রেললাইন ধরে উত্তর দিকে এগুতে থাকে।১৮ই এপ্রিল পরদিন ভোরবেলা পাকিস্তান সেনাবাহিনী দরুইন গ্রামে মুক্তিবাহিনীর অবস্থানের ওপর মার্টার ও আর্টিলারীর গোলাবর্ষণ শুরু করলে মেজর শাফায়াত জামিল ১১নম্বর প্লাটুনকে দরুইন গ্রামে আগের প্লাটুনের সঙ্গে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন। 

বিষয় : সিপাহী জন্মবার্ষিকী ৭৮তম

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের ৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ উদযাপন

প্রকাশের তারিখ : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের ৭৮তম জন্মদিন আজ। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মৃত্যুঞ্জয়ী সৈনিক মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ১৯৪৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোলার দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজীপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা হাবিবুর রহমান সেনাবাহিনীর হাবিলদার ছিলেন ও মাতা মালেকা বেগম ছিলেন গৃহিনী। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে মোস্তফা কামাল ছিলেন সবার বড়।

মোস্তফা কামাল পড়াশোনা বেশিদূর করতে পারেননি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর উচ্চ মাধ্যমিকে দুই—এক বছর অধ্যয়ন করেন।মোস্তফা কামালের ছেলেবেলা তার পিতার কর্মস্থল কুমিল্লা সেনানিবাসে কেটেছে। বিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার চেয়ে সেনানিবাসে সেনাদের কুচকাওয়াজ, মার্চপাস্ট ইত্যাদি ভালো লাগত।
ক্রমেই তিনি সেনাবাহিনীর একজন সদস্য হওয়ার স্বপ্ন দেখতে থাকে এবং স্থির করেন সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন। ২০ বছর বয়সে হঠাৎ করেই মোস্তফা কামাল বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। পরে ১৯৬৮ সালে পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে চাকরি চূড়ান্ত হওয়ার পরে সে তার পিতা-মাতার সন্ধান পান।১৯৬৭-এর ১৬ ডিসেম্বর বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে সেনাবাহিনীতে চাকরিগ্রহণ করেন।
তিনি ছিলেন চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক। ১৯৭১-এর প্রথম দিকে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে কুমিল্লা সেনানিবাস থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাঠানো হয়। তখন সারা দেশে যুদ্ধের বিভৎসতা ছড়িয়ে পড়েছিল। সেনানিবাসগুলোতে অবস্থা উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ১৬ এপ্রিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য কুমিল্লা-আখাউড়া রেললাইন ধরে উত্তর দিকে এগুতে থাকে।১৮ই এপ্রিল পরদিন ভোরবেলা পাকিস্তান সেনাবাহিনী দরুইন গ্রামে মুক্তিবাহিনীর অবস্থানের ওপর মার্টার ও আর্টিলারীর গোলাবর্ষণ শুরু করলে মেজর শাফায়াত জামিল ১১নম্বর প্লাটুনকে দরুইন গ্রামে আগের প্লাটুনের সঙ্গে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন। 

দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত