নেত্রকোনা পৌরবাসীর কল্যাণে আমার সাধ্যমতো যা যা করণীয় আমি তাই করে যাবো। এজন্য একজন সৎ, কর্মঠ, নিরহংকার, দক্ষ ও মানবিক পৌর প্রশাসক হিসেবে ইতোমধ্যে নেত্রকোনা পৌরসভার সকল মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন আরিফুল ইসলাম সরদার। নেত্রকোনায় সততা ও সাহসীকতার আরেক নাম পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার।নেত্রকোনা পৌরবাসীর কাছে বিপদে-আপদে যে নামটি সবার আগে উচ্চারিত হয় তিনি হলেন আরিফুল ইসলাম সরদার। তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতা নন। তারপরও তার সততা, কর্মস্পৃহা, দায়িত্বশীলতা ও জনমানুষের প্রতি আন্তরিকতা তাকে বসিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়। প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়েও যে আমজনতার মাঝে মিশে যাওয়া যায়, সেটা তিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত তার কর্মদক্ষতা, সততা, আন্তরিকতার ছোঁয়ায় ও সাহসিকতায়। তিনি ক্রমশ হয়ে উঠেছেন নেত্রকোনা পৌরবাসীর আইকন। তিনি জনগণের সেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে নেত্রকোনা পৌরবাসীর সম্পর্কে সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের নেতিবাচক ধারণাই পাল্টে দিয়েছেন। তিনি নিরলস পরিশ্রম ও সততার মাধ্যমে নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন এক অনন্য উচ্চতায়। নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার ২৯ তম বিসিএসের একজন সফল কর্মকর্তা।
সরকারি চাকরির নিয়মই হচ্ছে এক জায়গায় বেশিদিন দায়িত্ব পালন করা যাবে না। চলে যেতে হবে অন্য কোনো কর্মস্থলে। সেবা দিতে হবে সেই অঞ্চলের জনসাধারণের। এই নিয়মের বাইরে নন প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। চাকরিজীবনে তাদের বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পালন করতে হয়। কিন্তু যার মধ্যে সততা থাকে তাকে জেলাবাসী সারাজীবন মনে রাখে। এমনই একজন সৎ, নির্ভীক, কর্মঠ ও নিরহংকারী মনের অধিকারী মানুষ হচ্ছেন নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক ও স্হানীয় সরকারের উপপরিচালক আরিফুল ইসলাম সরদার। এই মানুষটি সম্পর্কে যত ইচ্ছা ততই লেখা যাবে। কেউ যদি মনে করেন উনাকে খুশি করার জন্য এই লেখা, তাহলে ভুল। যে মানুষটি ভালো, তাকে ভালো বলতে না পারার মতো দুঃখ সবাই পুষে রাখতে পারে না।
আরও পড়ুন, ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না মেহেরপুর পাসপোর্ট অফিসে, ভোগান্তির অভিযোগে ক্ষুব্ধ সেবা প্রত্যাশীরা
নেত্রকোনা পৌরসভার সামাজিক ও মানবিক কাজে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য পৌরবাসীর কাছে ইতোমধ্যে তিনি মানবিক পৌর প্রশাসক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি নেত্রকোনা পৌরসভায় প্রশাসক হিসেবে যোগদানের পর থেকে নেত্রকোনা পৌরসভার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ রাতদিন সেবা পাচ্ছেন। তার মতো পৌর প্রশাসক যদি প্রত্যেক পৌরসভায় দায়িত্ব পালন করত তাহলে দেশের চেহারাটা মুহূর্তের মধ্যেই বদলে যেত। এমন প্রশংসনীয় কারণে তিনি নেত্রকোনা পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষের মুখে মুৃখে তার প্রসংশা। তিনি বর্তমানে এই পৌরসভার সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক।
আরও পড়ুন, নেত্রকোণায় হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধের নির্মাণ কাজ সময়মতো শুরু না হওয়ায় শঙ্কায় কৃষকরা
এবিষয়ে নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, আমার ওপর অর্পিত রাষ্ট্রের সকল আদেশ আমি সততা, স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করে যাচ্ছি। হতদরিদ্র, অসচ্ছল, অসহায় মানুষের জন্য যতো বরাদ্ধ আছে তা যথাযথভাবে স্বচ্ছ তালিকার মাধ্যমে বণ্টন করা হচ্ছে। সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে যাতে কোনো প্রকার অনিয়ম না হয় সেদিকে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। তিনি আরোও বলেন, আমি এখানে কিছু দিতে এসেছি, নিতে নয়। সকলে চাইলেই একটি সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি সরকারের গৃহীত সকল মহতী কাজে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
নেত্রকোনা পৌরবাসীর কল্যাণে আমার সাধ্যমতো যা যা করণীয় আমি তাই করে যাবো। এজন্য একজন সৎ, কর্মঠ, নিরহংকার, দক্ষ ও মানবিক পৌর প্রশাসক হিসেবে ইতোমধ্যে নেত্রকোনা পৌরসভার সকল মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন আরিফুল ইসলাম সরদার। নেত্রকোনায় সততা ও সাহসীকতার আরেক নাম পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার।নেত্রকোনা পৌরবাসীর কাছে বিপদে-আপদে যে নামটি সবার আগে উচ্চারিত হয় তিনি হলেন আরিফুল ইসলাম সরদার। তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতা নন। তারপরও তার সততা, কর্মস্পৃহা, দায়িত্বশীলতা ও জনমানুষের প্রতি আন্তরিকতা তাকে বসিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়। প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়েও যে আমজনতার মাঝে মিশে যাওয়া যায়, সেটা তিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত তার কর্মদক্ষতা, সততা, আন্তরিকতার ছোঁয়ায় ও সাহসিকতায়। তিনি ক্রমশ হয়ে উঠেছেন নেত্রকোনা পৌরবাসীর আইকন। তিনি জনগণের সেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে নেত্রকোনা পৌরবাসীর সম্পর্কে সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের নেতিবাচক ধারণাই পাল্টে দিয়েছেন। তিনি নিরলস পরিশ্রম ও সততার মাধ্যমে নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন এক অনন্য উচ্চতায়। নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার ২৯ তম বিসিএসের একজন সফল কর্মকর্তা।
সরকারি চাকরির নিয়মই হচ্ছে এক জায়গায় বেশিদিন দায়িত্ব পালন করা যাবে না। চলে যেতে হবে অন্য কোনো কর্মস্থলে। সেবা দিতে হবে সেই অঞ্চলের জনসাধারণের। এই নিয়মের বাইরে নন প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। চাকরিজীবনে তাদের বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পালন করতে হয়। কিন্তু যার মধ্যে সততা থাকে তাকে জেলাবাসী সারাজীবন মনে রাখে। এমনই একজন সৎ, নির্ভীক, কর্মঠ ও নিরহংকারী মনের অধিকারী মানুষ হচ্ছেন নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক ও স্হানীয় সরকারের উপপরিচালক আরিফুল ইসলাম সরদার। এই মানুষটি সম্পর্কে যত ইচ্ছা ততই লেখা যাবে। কেউ যদি মনে করেন উনাকে খুশি করার জন্য এই লেখা, তাহলে ভুল। যে মানুষটি ভালো, তাকে ভালো বলতে না পারার মতো দুঃখ সবাই পুষে রাখতে পারে না।
আরও পড়ুন, ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না মেহেরপুর পাসপোর্ট অফিসে, ভোগান্তির অভিযোগে ক্ষুব্ধ সেবা প্রত্যাশীরা
নেত্রকোনা পৌরসভার সামাজিক ও মানবিক কাজে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য পৌরবাসীর কাছে ইতোমধ্যে তিনি মানবিক পৌর প্রশাসক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি নেত্রকোনা পৌরসভায় প্রশাসক হিসেবে যোগদানের পর থেকে নেত্রকোনা পৌরসভার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ রাতদিন সেবা পাচ্ছেন। তার মতো পৌর প্রশাসক যদি প্রত্যেক পৌরসভায় দায়িত্ব পালন করত তাহলে দেশের চেহারাটা মুহূর্তের মধ্যেই বদলে যেত। এমন প্রশংসনীয় কারণে তিনি নেত্রকোনা পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষের মুখে মুৃখে তার প্রসংশা। তিনি বর্তমানে এই পৌরসভার সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক।
আরও পড়ুন, নেত্রকোণায় হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধের নির্মাণ কাজ সময়মতো শুরু না হওয়ায় শঙ্কায় কৃষকরা
এবিষয়ে নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, আমার ওপর অর্পিত রাষ্ট্রের সকল আদেশ আমি সততা, স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করে যাচ্ছি। হতদরিদ্র, অসচ্ছল, অসহায় মানুষের জন্য যতো বরাদ্ধ আছে তা যথাযথভাবে স্বচ্ছ তালিকার মাধ্যমে বণ্টন করা হচ্ছে। সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে যাতে কোনো প্রকার অনিয়ম না হয় সেদিকে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। তিনি আরোও বলেন, আমি এখানে কিছু দিতে এসেছি, নিতে নয়। সকলে চাইলেই একটি সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি সরকারের গৃহীত সকল মহতী কাজে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন