নেত্রকোনায় শোবার ঘরের বিছানা থেকে হেলাল উদ্দিন (৫৮) নামের এক ব্যক্তির হাত-পা ও মুখ বাধা অবস্থায় জবাই করা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতে স্ত্রী বেদনা আক্তারকে (৪০) পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।রোববার (২১ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতি ইউনিয়নের নারিয়াপাড়া গ্রাম থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
আরো পড়ুন , নবীনগরে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে একজন নিহত
নিহত হেলাল উদ্দিন নারিয়াপাড়া গ্রামের মৃত আশ্রাব আলীর ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন।এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা, নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে- হেলাল উদ্দিন প্রায় ২০ বছর আগে বারহাট্টা উপজেলার সেমিয়া দুধকুড়া গ্রামের বেদেনা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে এক ছেলে (১৮) ও এক মেয়ে (৩) রয়েছে। ছেলে শরিফ উদ্দিন নানার বাড়িতে থেকে একটি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন। গতকাল শনিবার রাতে খাবার খেয়ে হেলাল উদ্দিন শুয়ে পড়েন। টিনের শোবার ঘরটির অন্য বিছানায় বেদনা আক্তার মেয়েকে নিয়ে থাকেন।
আরো পড়ুন , ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে আন্দোলন যান চলাচল বন্ধ
বেদেনা আক্তারের দাবি, রোববার ভোর রাত আনুমানিক সোয়া চারটার দিকে প্রকৃতির ডাকে তিনি টয়লেটে যান। কিছুক্ষণ পর ঘরে এসে স্বামীর জবাই করা রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান।তিনি আরও বলেন, 'আমি প্রস্রাব করে ঘরে এসে দেখি অন্য বিছানাটির বালিশ নিচে পড়া। পরে টচ লাইট জ্বেলে দেখি তার জবাই করা রক্তাক্ত লাশ। এরপর চিৎকার দিয়ে বেহুশ হয়ে যাই। আর কিছু বলতে পারি না।'

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
নেত্রকোনায় শোবার ঘরের বিছানা থেকে হেলাল উদ্দিন (৫৮) নামের এক ব্যক্তির হাত-পা ও মুখ বাধা অবস্থায় জবাই করা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতে স্ত্রী বেদনা আক্তারকে (৪০) পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।রোববার (২১ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতি ইউনিয়নের নারিয়াপাড়া গ্রাম থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
আরো পড়ুন , নবীনগরে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে একজন নিহত
নিহত হেলাল উদ্দিন নারিয়াপাড়া গ্রামের মৃত আশ্রাব আলীর ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন।এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা, নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে- হেলাল উদ্দিন প্রায় ২০ বছর আগে বারহাট্টা উপজেলার সেমিয়া দুধকুড়া গ্রামের বেদেনা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে এক ছেলে (১৮) ও এক মেয়ে (৩) রয়েছে। ছেলে শরিফ উদ্দিন নানার বাড়িতে থেকে একটি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন। গতকাল শনিবার রাতে খাবার খেয়ে হেলাল উদ্দিন শুয়ে পড়েন। টিনের শোবার ঘরটির অন্য বিছানায় বেদনা আক্তার মেয়েকে নিয়ে থাকেন।
আরো পড়ুন , ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে আন্দোলন যান চলাচল বন্ধ
বেদেনা আক্তারের দাবি, রোববার ভোর রাত আনুমানিক সোয়া চারটার দিকে প্রকৃতির ডাকে তিনি টয়লেটে যান। কিছুক্ষণ পর ঘরে এসে স্বামীর জবাই করা রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান।তিনি আরও বলেন, 'আমি প্রস্রাব করে ঘরে এসে দেখি অন্য বিছানাটির বালিশ নিচে পড়া। পরে টচ লাইট জ্বেলে দেখি তার জবাই করা রক্তাক্ত লাশ। এরপর চিৎকার দিয়ে বেহুশ হয়ে যাই। আর কিছু বলতে পারি না।'

আপনার মতামত লিখুন