বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে হৃদয়বিদারকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন দৈনিক জনকণ্ঠের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নিরব হোসেন (৫৬)। জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মো. নিরব হোসেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মরহুম মতিউর রহমান মিয়ার সন্তান। চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তার বড় ভাই মো. বাহাদুর হোসেন বর্তমানে দৈনিক জনকণ্ঠের পরিবহন শাখার এজিএম হিসেবে কর্মরত।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জানাজায় অংশ নিতে নিরব হোসেন এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় যান। সেখানে অতিরিক্ত জনসমাগমের মধ্যে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করার আগেই ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিরব হোসেন এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তার বড় ছেলে তাহসিন হোসেন নাহিয়ান (১৫) মোহাম্মদপুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন, ঘন কুয়াশার কারণে শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
ফ্যাসিস্ট হাসিনা হটাও আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয় নাহিয়ান। পরে সরকারিভাবে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড পাঠানো হয়। দেশে ফিরে এলেও বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন। কর্মজীবনে নিরব হোসেন ১৯৯৮ সাল থেকে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় দৈনিক জনকণ্ঠে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৎ, দায়িত্ববান ও ভদ্র স্বভাবের একজন মানুষ। বাউফলের সন্তান এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন বলেন, নিরব ভাই ছিলেন একজন পরোপকারী মানুষ। তার সন্তান জুলাই আন্দোলনে আহত হয়ে এখনো ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আজ নিরব ভাই চলে যাওয়ায় নাহিয়ানের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ রইলো না। একটি পরিবার কার্যত নিঃস্ব হয়ে গেল।
বিষয় : মৃত্যু হৃদয়বিদারক মো. নিরব

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে হৃদয়বিদারকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন দৈনিক জনকণ্ঠের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নিরব হোসেন (৫৬)। জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মো. নিরব হোসেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মরহুম মতিউর রহমান মিয়ার সন্তান। চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তার বড় ভাই মো. বাহাদুর হোসেন বর্তমানে দৈনিক জনকণ্ঠের পরিবহন শাখার এজিএম হিসেবে কর্মরত।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জানাজায় অংশ নিতে নিরব হোসেন এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় যান। সেখানে অতিরিক্ত জনসমাগমের মধ্যে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করার আগেই ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিরব হোসেন এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তার বড় ছেলে তাহসিন হোসেন নাহিয়ান (১৫) মোহাম্মদপুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন, ঘন কুয়াশার কারণে শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
ফ্যাসিস্ট হাসিনা হটাও আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয় নাহিয়ান। পরে সরকারিভাবে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড পাঠানো হয়। দেশে ফিরে এলেও বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন। কর্মজীবনে নিরব হোসেন ১৯৯৮ সাল থেকে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় দৈনিক জনকণ্ঠে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৎ, দায়িত্ববান ও ভদ্র স্বভাবের একজন মানুষ। বাউফলের সন্তান এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন বলেন, নিরব ভাই ছিলেন একজন পরোপকারী মানুষ। তার সন্তান জুলাই আন্দোলনে আহত হয়ে এখনো ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আজ নিরব ভাই চলে যাওয়ায় নাহিয়ানের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ রইলো না। একটি পরিবার কার্যত নিঃস্ব হয়ে গেল।

আপনার মতামত লিখুন