দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজিতে দুশ্চিন্তায়

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজিতে দুশ্চিন্তায়
চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ রাজধানী

চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ রাজধানীর কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা। কারওয়ান বাজার সুপারমার্কেট, কিচেন মার্কেট, ১ ও ২ নম্বর সুপারমার্কেটে মাসিক ও সাপ্তাহিক ভিত্তিতে লাখ লাখ টাকা চাঁদা নিচ্ছেন যুবদল থেকে বহিষ্কৃত নেতা আবদুর রহমান ও তার সহযোগীরা। চাঁদাবাজির অভিযোগে বহিষ্কার এবং একাধিক মামলার পরও আবদুর রহমানের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, ৫ আগস্টের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চাঁদাবাজরা পালিয়ে গেলে চাঁদার হাল ধরেন আবদুর রহমান। তার ৬০-৭০ সদস্যের গ্যাং রয়েছে। যারা চাঁদা নিতে কারওয়ান বাজারে নিয়মিত শোডাউন ও ব্যবসায়ীদের মারধর করে আসছে।

আরো পড়ুন , ঢাকায় শীতের তীব্রতা কুয়াশা বর্ষার মতো ঝরে পড়ছে

চাঁদায় অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা গতকাল মানববন্ধনের আয়োজন করলে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। চাঁদাবাজরা পালিয়ে গেলে ঝাড়ু ও লাঠি হাতে বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। হামলার শিকার ব্যবসায়ীরা মামলা করবেন বলে জানা গেছে। গতকাল সন্ধ্যায় তেজগাঁও থানার ওসি ক্যশৈন্যু মারমা বলেন, এখনো ব্যবসায়ীরা মামলা করেননি। করলে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে হওয়া আগের সব মামলায় জামিনে রয়েছেন।

আরো পড়ুন , ঢাকায় চালু হচ্ছে নিরাপদ তিন চাকার ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা

 নতুন করে মামলা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইসলামিয়া শান্তি সমিতির ব্যানারে ব্যবসায়ীরা লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন, কিচেন মার্কেটের মাছবাজার, মাংস বাজার, মুরগি বাজার, ফলপট্টি, ফুটপাতসহ অন্যান্য মার্কেট থেকে মাসিক, সাপ্তাহিক ও দিন ভিত্তিতে মোটা অঙ্কের চাঁদা নেন আবদুর রহমান। কিচেন মার্কেটের বাথরুমকে গুদাম বানিয়ে ভাড়া দিয়েছেন। চাঁদাবাজির টাকায় ৫ আগস্টের পর কিচেন মার্কেটে দুটি দোকান কিনেছেন। ছিনিয়ে নিয়েছেন ছয়টি কোম্পানির ডিলারশিপ। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে মিথ্যা মামলার আসামি করার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। 

বিষয় : ব্যবসায়ী দুশ্চিন্তা কারওয়ান

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজিতে দুশ্চিন্তায়

প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ রাজধানীর কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা। কারওয়ান বাজার সুপারমার্কেট, কিচেন মার্কেট, ১ ও ২ নম্বর সুপারমার্কেটে মাসিক ও সাপ্তাহিক ভিত্তিতে লাখ লাখ টাকা চাঁদা নিচ্ছেন যুবদল থেকে বহিষ্কৃত নেতা আবদুর রহমান ও তার সহযোগীরা। চাঁদাবাজির অভিযোগে বহিষ্কার এবং একাধিক মামলার পরও আবদুর রহমানের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, ৫ আগস্টের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চাঁদাবাজরা পালিয়ে গেলে চাঁদার হাল ধরেন আবদুর রহমান। তার ৬০-৭০ সদস্যের গ্যাং রয়েছে। যারা চাঁদা নিতে কারওয়ান বাজারে নিয়মিত শোডাউন ও ব্যবসায়ীদের মারধর করে আসছে।

আরো পড়ুন , ঢাকায় শীতের তীব্রতা কুয়াশা বর্ষার মতো ঝরে পড়ছে

চাঁদায় অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা গতকাল মানববন্ধনের আয়োজন করলে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। চাঁদাবাজরা পালিয়ে গেলে ঝাড়ু ও লাঠি হাতে বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। হামলার শিকার ব্যবসায়ীরা মামলা করবেন বলে জানা গেছে। গতকাল সন্ধ্যায় তেজগাঁও থানার ওসি ক্যশৈন্যু মারমা বলেন, এখনো ব্যবসায়ীরা মামলা করেননি। করলে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে হওয়া আগের সব মামলায় জামিনে রয়েছেন।

আরো পড়ুন , ঢাকায় চালু হচ্ছে নিরাপদ তিন চাকার ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা

 নতুন করে মামলা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইসলামিয়া শান্তি সমিতির ব্যানারে ব্যবসায়ীরা লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন, কিচেন মার্কেটের মাছবাজার, মাংস বাজার, মুরগি বাজার, ফলপট্টি, ফুটপাতসহ অন্যান্য মার্কেট থেকে মাসিক, সাপ্তাহিক ও দিন ভিত্তিতে মোটা অঙ্কের চাঁদা নেন আবদুর রহমান। কিচেন মার্কেটের বাথরুমকে গুদাম বানিয়ে ভাড়া দিয়েছেন। চাঁদাবাজির টাকায় ৫ আগস্টের পর কিচেন মার্কেটে দুটি দোকান কিনেছেন। ছিনিয়ে নিয়েছেন ছয়টি কোম্পানির ডিলারশিপ। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে মিথ্যা মামলার আসামি করার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত