পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। চাঁদাবাজি, ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টি, জাল টাকার লেনদেন এবং এক হাটের পশু অন্য হাটে জোর করে নেওয়ার মতো অপরাধ ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা।ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, কোনো অবস্থাতেই এক হাটের পশুবাহী ট্রাক অন্য হাটে জোরপূর্বক প্রবেশ করানো যাবে না। পশুবাহী প্রতিটি ট্রাকে নির্ধারিত হাটের নাম উল্লেখ করে ব্যানার লাগানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেউ ব্যানার পরিবর্তন বা জোরপূর্বক পশু নামানোর চেষ্টা করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় পশুর হাটের নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, কাঁচা চামড়া পরিবহন ও হাটের শৃঙ্খলা নিয়ে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।আরও পড়ুন , পল্লবীতে উচ্ছেদে বাধা, পুলিশের ওপর হামলায় উত্তেজনাজানা গেছে, রাজধানীতে এবার অন্তত ২২টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট বসবে। প্রতিটি হাটে অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোলরুম, সিসি ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ার, মোবাইল টহল এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে।জাল টাকা প্রতিরোধে থাকবে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন। পাশাপাশি অস্থায়ী ব্যাংক বুথ ও মানি এস্কর্ট সেবাও চালু রাখা হবে, যাতে ব্যবসায়ীরা নিরাপদে অর্থ পরিবহন করতে পারেন।এ ছাড়া গাবতলী, আব্দুল্লাহপুর, যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ঈদের পর কোরবানির পশুর চামড়া দ্রুত পরিবহনের জন্য বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, অতিরিক্ত হাসিল আদায় বা চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।