পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু জবাইয়ের পর কসবা ও আখাউড়া উপজেলার আশেপাশের বয়ে যওয়া বিজনা,তিতাস,সালদা,বুড়ি নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর তীরে যত্রতত্র পশুর চামড়া, বর্জ্য ও উচ্ছিষ্টাংশ ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আরও পড়ুন, পাঁচবিবিতে মাদক প্রতিরোধে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাব্বির উদ্যোগে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনস্থানীয়দের অভিযোগ, যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে নদীতীরজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এসব বর্জ্য থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের পর কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে পশুর চামড়া ও বর্জ্য খোলা জায়গা এবং নদীর পাড়ে ফেলে রাখা হয়েছে। ফলে পচন ধরায় বাতাসে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে আশপাশের বসতবাড়ির বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। একই সঙ্গে নদীর পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ছে। আরও পড়ুন, মহেশপুরে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণপরিবেশ সচেতন মহলের মতে, নদীতীরে এভাবে কোরবানির বর্জ্য ফেলা হলে পানির গুণগত মান নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মাছ, জলজ প্রাণী ও অন্যান্য জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি স্থানীয় পরিবেশগত ভারসাম্য বিনষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বর্জ্য অপসারণ এবং সঠিকভাবে নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। আরও পড়ুন, সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কসবার রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যুতারা বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পরিবেশবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, নদী ও জলাশয়ে পশুর চামড়া বা বর্জ্য ফেলা বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় পরিবেশ দূষণ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির ঝুঁকি আরও বাড়বে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, কসবা-আখাউড়ার বিজনা নদীসহ এলাকার সব নদ-নদী ও জলাশয় রক্ষায় অবিলম্বে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। এতে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি জনদুর্ভোগও কমবে।